০১:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

হলি আর্টিসান মামলার বিচার কাজ মহানগর আদালতে বদলি

রাজধানী গুলশানের হলি আর্টসানে জঙ্গি হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৬ জুলাই) ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) সাইফুজ্জামার হিরো এই আদেশ দেন।

গুলশান থানার আদালতের নিবন্ধন কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম জানান, মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির আদেশ দিয়েছেন সিএমএম আদালত। মামলাটি এখন সিএমএম আদালত থেকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হবে। সেখানে মামলাটির বিচার কার্যক্রম হবে।

এর আগে ২৩ জুলাই ৮ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের পরিদর্শক হুমায়ুন কবীর। এর মধ্যে ৬ জন কারাগারে ও দুই জন পলাতক রয়েছে।

আসামিদের মধ্যে কারাগারে রয়েছে রাশেদুল ইসলাম ওরফে র্যাশ, জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব গান্ধী, সোহেল মাহফুজ, হাদিসুর রহমান সাগর, মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান এবং রাকিবুল হাসান রিগান। আর পলাতক দুই আসামি হলেন- মামুনুর রশিদ রিপন ও শহীদুল ইসলাম খালেদ।

এ ছাড়াও বিভিন্ন অভিযানে ১৩ জন নিহত হওয়ায় তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করেছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। যার মধ্যে ৮ জন বিভিন্ন অভিযানে ও ৫ জন হলি আর্টিসানেই নিহত হয়েছেন।

গুলশানে হলি আর্টিসানে সেনাবাহিনীর ‘অপারেশন থান্ডারবোল্টে’ নিহত পাঁচজন হলেন- রোহান ইবনে ইমতিয়াজ, মীর সামেহ মোবাশ্বের, নিবরাস ইসলাম, শফিকুল ইসলাম ওরফে উজ্জ্বল ও খায়রুল ইসলাম ওরফে পায়েল।

বিভিন্ন ‘জঙ্গি আস্তানায়’ অভিযানে নিহত আটজন হলেন- তামীম আহমেদ চৌধুরী, নুরুল ইসলাম মারজান, তানভীর কাদেরী, মেজর (অব.) জাহিদুল ইসলাম ওরফে মুরাদ, রায়হান কবির তারেক, সারোয়ান জাহান মানিক, বাশারুজ্জামান ওরফে চকলেট ও মিজানুর রহমান ওরফে ছোট মিজান।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে গুলশানের হলি আর্টিসান রেস্তোরাঁয় হামলা চালিয়ে বিদেশি নাগরিকসহ ২০ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। এসময় তাদের গুলিতে দুই পুলিশ সদস্য নিহত হন। পরে অভিযানে পাঁচ জঙ্গি নিহত হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

৩৭৮ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তুলেছে কাস্টমস হাউস চট্রগ্রাম

হলি আর্টিসান মামলার বিচার কাজ মহানগর আদালতে বদলি

প্রকাশিত : ০১:০৬:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুলাই ২০১৮

রাজধানী গুলশানের হলি আর্টসানে জঙ্গি হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির আদেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২৬ জুলাই) ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) সাইফুজ্জামার হিরো এই আদেশ দেন।

গুলশান থানার আদালতের নিবন্ধন কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম জানান, মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলির আদেশ দিয়েছেন সিএমএম আদালত। মামলাটি এখন সিএমএম আদালত থেকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে পাঠানো হবে। সেখানে মামলাটির বিচার কার্যক্রম হবে।

এর আগে ২৩ জুলাই ৮ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের পরিদর্শক হুমায়ুন কবীর। এর মধ্যে ৬ জন কারাগারে ও দুই জন পলাতক রয়েছে।

আসামিদের মধ্যে কারাগারে রয়েছে রাশেদুল ইসলাম ওরফে র্যাশ, জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব গান্ধী, সোহেল মাহফুজ, হাদিসুর রহমান সাগর, মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান এবং রাকিবুল হাসান রিগান। আর পলাতক দুই আসামি হলেন- মামুনুর রশিদ রিপন ও শহীদুল ইসলাম খালেদ।

এ ছাড়াও বিভিন্ন অভিযানে ১৩ জন নিহত হওয়ায় তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করেছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। যার মধ্যে ৮ জন বিভিন্ন অভিযানে ও ৫ জন হলি আর্টিসানেই নিহত হয়েছেন।

গুলশানে হলি আর্টিসানে সেনাবাহিনীর ‘অপারেশন থান্ডারবোল্টে’ নিহত পাঁচজন হলেন- রোহান ইবনে ইমতিয়াজ, মীর সামেহ মোবাশ্বের, নিবরাস ইসলাম, শফিকুল ইসলাম ওরফে উজ্জ্বল ও খায়রুল ইসলাম ওরফে পায়েল।

বিভিন্ন ‘জঙ্গি আস্তানায়’ অভিযানে নিহত আটজন হলেন- তামীম আহমেদ চৌধুরী, নুরুল ইসলাম মারজান, তানভীর কাদেরী, মেজর (অব.) জাহিদুল ইসলাম ওরফে মুরাদ, রায়হান কবির তারেক, সারোয়ান জাহান মানিক, বাশারুজ্জামান ওরফে চকলেট ও মিজানুর রহমান ওরফে ছোট মিজান।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে গুলশানের হলি আর্টিসান রেস্তোরাঁয় হামলা চালিয়ে বিদেশি নাগরিকসহ ২০ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। এসময় তাদের গুলিতে দুই পুলিশ সদস্য নিহত হন। পরে অভিযানে পাঁচ জঙ্গি নিহত হয়।