১২:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬

সাবেক সিইসি এ টি এম শামসুল হুদা মারা গেছেন

সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এটিএম শামসুল হুদা (৮৩) মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নইলাহি রাজিউন)।শনিবার (৫ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে রাজধানীর গুলশানের নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

ইউনাইটেড হসপিটাল লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার (কমিউনিকেশন অ্যান্ড বিজনেস ডেভেলপমেন্ট) ডা. মো. ফজলেরাব্বী খান জানান, সকাল দশটার দিকে তাকে ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এখানে আসার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান তিনি আগেই মারা গিয়েছেন। অর্থাৎ আমরা তাকে ব্রটডেথ অবস্থায় পেয়েছি। এখন পর্যন্ত তার মরদেহ হাসপাতালেই রয়েছে।

জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী একমাত্র মেয়ে দেশে ফিরলে জানাজা ও দাফনের সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে।

এটিএম শামসুল হুদা ২০০৭ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০১২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পাঁচ বছর মেয়াদে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন। একাধিক রাজনৈতিক সংকটময় সময়ে দায়িত্ব পালন করা এই প্রশাসক তখনকার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা ও গ্রহণযোগ্যতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

 

ডিএস./

 

ইসলামী ব্যাংকের সামনে ফের গ্রাহকদের অবস্থান, সতর্ক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

সাবেক সিইসি এ টি এম শামসুল হুদা মারা গেছেন

প্রকাশিত : ১২:৪২:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫

সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এটিএম শামসুল হুদা (৮৩) মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নইলাহি রাজিউন)।শনিবার (৫ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে রাজধানীর গুলশানের নিজ বাসভবনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

ইউনাইটেড হসপিটাল লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার (কমিউনিকেশন অ্যান্ড বিজনেস ডেভেলপমেন্ট) ডা. মো. ফজলেরাব্বী খান জানান, সকাল দশটার দিকে তাকে ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এখানে আসার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান তিনি আগেই মারা গিয়েছেন। অর্থাৎ আমরা তাকে ব্রটডেথ অবস্থায় পেয়েছি। এখন পর্যন্ত তার মরদেহ হাসপাতালেই রয়েছে।

জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী একমাত্র মেয়ে দেশে ফিরলে জানাজা ও দাফনের সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে।

এটিএম শামসুল হুদা ২০০৭ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০১২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পাঁচ বছর মেয়াদে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন। একাধিক রাজনৈতিক সংকটময় সময়ে দায়িত্ব পালন করা এই প্রশাসক তখনকার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা ও গ্রহণযোগ্যতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

 

ডিএস./