তার প্রজন্মের অন্যতম সেরা মিডফিল্ডার হিসেবে বিবেচনা করা হয় ফ্র্যাঙ্ক ল্যাম্পার্ডকে। স্টিভেন জেরার্ড, রোনাল্ডিনিয়ো, জাভি, ইনিয়েস্তা বা আন্দ্রে পিরলোদের কাতারেই ছিলেন তিনি। ক্লাব ক্যারিয়ারে ছিলেন চেলসির লিজেন্ড। দলটির হয়ে শিরোপা জিতেছেন, করেছেন রেকর্ডের পর রেকর্ড। ব্লুজদের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা তিনি। চেলসির হয়ে আস্তে আস্তে নিজেকে একজন কিংবদন্তী করে তুলেছেন।
আর ইংল্যান্ড জাতীয় দলের হয়েও ক্যারিয়ারটা ছিল বর্নাঢ্য। ১৫ বছর খেলেছেন জাতীয় দলের হয়ে। ইংল্যান্ডের হয়ে ২৯ গোল করার পাশাপাশি দলটির ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৯টি গোল করেছেন পেনাল্টি থেকে। সেই ল্যাম্পার্ডই এখন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের দল ডার্বি কাউন্টির কোচ। কেমন হবে তার কোচিং ক্যারিয়ার, তা বলার সময় এখনও আসেনি। তবে তার কোচিং দর্শন, ফর্মেশান, স্ট্র্যাটেজি এবং অ্যাটিচিউড নিয়ে বিশ্লেষকরা অনেক কিছুই বলছেন।
ল্যাম্পার্ডের নিজের বক্তব্য হল, ‘আমি চাইবো ডার্বি আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলুক, আগ্রাসী ফুটবল খেলুক। একইসাথে আমি চাইব তারা সুন্দর ফুটবল খেলুক, দ্রুতগতির ফুটবল খেলুক। অবশ্য সুন্দর মানেই টিকিটাকা বোঝাতে চাচ্ছি না। তবে আমি চাই খেলোয়াড়দের মধ্যে সেই শক্তিটা থাকুক। তারা যেন যেকোনো জায়গায় খেললেই সমর্থকদের রোমাঞ্চিত করতে পারে। আমি সোজা কথায় শক্তি চাই, কঠোর পরিশ্রম চাই এবং আক্রমণ চাই।’
নিজের লক্ষ্যের কথাও জানিয়েছেন এই লিজেন্ডারি মিডফিল্ডার। আপাতত প্রমোশনই তার মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, আমরা আসলে ধাপে ধাপে এগোতে চাই। আমরা দলের যা সামর্থ্য আছে, তার সেরাটা মাঠে দিতে চাই। সোজা কথা হলো, আমরা যত পারি, ততটা উপরে উঠতে চাই। কারণ, এটা একটা প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব।

























