০৪:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন পিকে

রাশিয়া বিশ্বকাপে শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেওয়ার পর আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়েছিলেন স্পেনের মধ্যমাঠের তারকা ফুটবলার আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা। এবার তার পথেই হাঁটলেন আরেক স্প্যানিশ তারকা জেরার্ড পিকে।

এবার আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়ে দিলেন স্পেনের রক্ষণভাগের অতন্দ্র এই প্রহরীও। বার্সেলোনার হয়ে স্প্যানিশ সুপারকোপায় সেভিয়ার মুখোমুখি হওয়ার একদিন আগে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দেন ৩১ বছর বয়সী পিকে।

অবসর নিয়ে পিকের ভাষ্য, ‘আমার দারুণ সময় কেটেছে স্পেন জাতীয় দলের হয়ে খেলতে গিয়ে। একটি ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ এবং একটি বিশ্বকাপ জিতেছি। তবে সে সব কাহিনী এখন অনেক পুরাতন। তার একটা শেষ থাকে এবং এটাই সেই সময়। আমি কোচ এনরিকেকে সব জানিয়েছি।’

আন্তর্জাতিক ফুটবলে পিকের অভিষেক ঘটে ২০০৯ সালে। ধীরে ধীরে নিজেকে পরিণত করেছেন স্পেনের রক্ষণভাগের অন্যতম সেরা কান্ডারি হিসেবে। ২০১০ সালে স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের পেছনেও তার ভূমিকা ছিল অনন্য। এমনকি ২০১২ সালে ইউরো কাপ জয়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন পিকে।

রাশিয়া বিশ্বকাপের পর্দা ওঠার আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, এটাই হতে চলেছে তার শেষ বিশ্বকাপ। যদিও নিজের শেষ বিশ্বকাপটা সেভাবে রাঙাতে পারেননি এই স্প্যানিশ তারকা। জাতীয় দলের হয়ে মোট ১০২টি ম্যাচ খেলেছেন পিকে। রক্ষণভাগের প্রহরী হলেও পিকের পা থেকে এসেছে পাঁচটি গোল।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শহীদ জহির রায়হান স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন পিকে

প্রকাশিত : ০১:২০:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অগাস্ট ২০১৮

রাশিয়া বিশ্বকাপে শেষ ষোলো থেকে বিদায় নেওয়ার পর আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়েছিলেন স্পেনের মধ্যমাঠের তারকা ফুটবলার আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা। এবার তার পথেই হাঁটলেন আরেক স্প্যানিশ তারকা জেরার্ড পিকে।

এবার আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়ে দিলেন স্পেনের রক্ষণভাগের অতন্দ্র এই প্রহরীও। বার্সেলোনার হয়ে স্প্যানিশ সুপারকোপায় সেভিয়ার মুখোমুখি হওয়ার একদিন আগে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দেন ৩১ বছর বয়সী পিকে।

অবসর নিয়ে পিকের ভাষ্য, ‘আমার দারুণ সময় কেটেছে স্পেন জাতীয় দলের হয়ে খেলতে গিয়ে। একটি ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ এবং একটি বিশ্বকাপ জিতেছি। তবে সে সব কাহিনী এখন অনেক পুরাতন। তার একটা শেষ থাকে এবং এটাই সেই সময়। আমি কোচ এনরিকেকে সব জানিয়েছি।’

আন্তর্জাতিক ফুটবলে পিকের অভিষেক ঘটে ২০০৯ সালে। ধীরে ধীরে নিজেকে পরিণত করেছেন স্পেনের রক্ষণভাগের অন্যতম সেরা কান্ডারি হিসেবে। ২০১০ সালে স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের পেছনেও তার ভূমিকা ছিল অনন্য। এমনকি ২০১২ সালে ইউরো কাপ জয়েও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন পিকে।

রাশিয়া বিশ্বকাপের পর্দা ওঠার আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, এটাই হতে চলেছে তার শেষ বিশ্বকাপ। যদিও নিজের শেষ বিশ্বকাপটা সেভাবে রাঙাতে পারেননি এই স্প্যানিশ তারকা। জাতীয় দলের হয়ে মোট ১০২টি ম্যাচ খেলেছেন পিকে। রক্ষণভাগের প্রহরী হলেও পিকের পা থেকে এসেছে পাঁচটি গোল।