০৩:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

আলোকচিত্রী শহিদুল আলম কারাগারে

তথ্যপ্রযুক্তি আইনে দায়ের করা মামলায় আলোকচিত্রী শহিদুল আলমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) আরমান আলী।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম ফাহাদ বিন আমিন চৌধুরী তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

রমনা থানার আদালত শাখার নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহামুদুল হাসান বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন।

এর আগে ৬ আগস্ট জামিন নামঞ্জুর করে শহিদুল আলমকে সাতদিনের রিমান্ড দেন আদালত। ৫ আগস্ট রাতে ধানমন্ডির বাসা থেকে শহিদুলকে ধরে নিয়ে যায় ডিবি পরিচয়ে একদল লোক। এরপর তাকে রমনা থানার তথ্যপ্রযুক্তি আইনে দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার দেখায় পুলিশ।

ডিবি (উত্তর) পরিদর্শক মেহেদী হাসান বাদী হয়ে রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ‘কল্পনাপ্রসূত তথ্যের’ মাধ্যমে জনসাধারণের বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে ‘মিথ্যা প্রচার’ চালানো, উসকানিমূলক তথ্য উপস্থাপন, সরকারকে ‘প্রশ্নবিদ্ধ ও অকার্যকর’ হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে উপস্থাপন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ‘অবনতি ঘটিয়ে’ জনমনে ‘ভীতি ও সন্ত্রাস ছড়িয়ে’ দেয়ার ষড়যন্ত্র এবং তা বাস্তবায়নে ইলেকট্রনিক বিন্যাসে ‘অপপ্রচারের’ অভিযোগ আনা হয় আলোকচিত্রী শহিদুলের বিরুদ্ধে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

দেশটাকে আরও সবুজ করে গড়ে তুলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

আলোকচিত্রী শহিদুল আলম কারাগারে

প্রকাশিত : ০৮:৫৯:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ অগাস্ট ২০১৮

তথ্যপ্রযুক্তি আইনে দায়ের করা মামলায় আলোকচিত্রী শহিদুল আলমকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) আরমান আলী।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম ফাহাদ বিন আমিন চৌধুরী তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

রমনা থানার আদালত শাখার নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহামুদুল হাসান বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেন।

এর আগে ৬ আগস্ট জামিন নামঞ্জুর করে শহিদুল আলমকে সাতদিনের রিমান্ড দেন আদালত। ৫ আগস্ট রাতে ধানমন্ডির বাসা থেকে শহিদুলকে ধরে নিয়ে যায় ডিবি পরিচয়ে একদল লোক। এরপর তাকে রমনা থানার তথ্যপ্রযুক্তি আইনে দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার দেখায় পুলিশ।

ডিবি (উত্তর) পরিদর্শক মেহেদী হাসান বাদী হয়ে রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ‘কল্পনাপ্রসূত তথ্যের’ মাধ্যমে জনসাধারণের বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে ‘মিথ্যা প্রচার’ চালানো, উসকানিমূলক তথ্য উপস্থাপন, সরকারকে ‘প্রশ্নবিদ্ধ ও অকার্যকর’ হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে উপস্থাপন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ‘অবনতি ঘটিয়ে’ জনমনে ‘ভীতি ও সন্ত্রাস ছড়িয়ে’ দেয়ার ষড়যন্ত্র এবং তা বাস্তবায়নে ইলেকট্রনিক বিন্যাসে ‘অপপ্রচারের’ অভিযোগ আনা হয় আলোকচিত্রী শহিদুলের বিরুদ্ধে।