১২:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

পরশুরামে বিজিবি পুশইন ও চোরা চালান ঠেকাতে সর্বোচ্চ নজরদারি

ফেনীর উত্তরে পরশুরাম সীমান্তে পুশইন ও চোরাচালান ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে বিজিবি।ভারত বাংলাদেশের সীমান্ত নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) সর্বদা পেশাদারিত্ব, সতর্কতা ও দৃঢ়তার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ (পুশইন) এর আশঙ্কা বৃদ্ধি পাওয়ায় ফেনী ব্যাটালিয়ন দায়িত্বপূর্ণ প্রায় ১০২ কিলোমিটার সীমান্তজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থা জারি করেছে।সরে জমিনে ঘুরে জানা যায়, সীমান্ত এলাকায় অবৈধভাবে চোরাচালান এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বিজিবি।

১০ মে রবিবার সকাল ১১ ঘটিকার সময় বিজিবির এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানান, সীমান্তে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টসমূহে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং সকল বিওপি ও টহল দলকে বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম, পুশইন, চোরাচালান ও যেকোনো ধরনের সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবি সদস্যদের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে।

একইসাথে সীমান্ত এলাকায় অতিরিক্ত মোবাইল পেট্রোল, ফুট পেট্রোল, বিশেষ অভিযান এবং গুরুত্বপূর্ণ ও সন্দেহভাজন পয়েন্টসমূহে নিবিড় পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

বিশেষ করে মাদকদ্রব্য, গবাদিপশু, ভারতীয় বিভিন্ন পণ্যসহ অন্যান্য চোরাচালান সামগ্রী পাচার প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং সীমান্ত দিয়ে যেন কোনো ব্যক্তি অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে সে লক্ষ্যে বিজিবি সদস্যরা নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করছে।

ফেনীস্থ ৪ বিজিবি অধিনায়ক লে: কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান, জানান, ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে, সীমান্ত এলাকার জনগণের সহযোগিতা ও সচেতনতা সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এ কারণে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সীমান্তবর্তী জনসাধারণের সাথে সমন্বয় বৃদ্ধি করা হয়েছে যাতে কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি, চলাচল বা কার্যক্রম সম্পর্কে দ্রুত তথ্য পাওয়া যায়।পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় বসবাসরত সকলকে যেকোনো অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান বা সীমান্ত অপরাধ সংক্রান্ত তথ্য নিকটস্থ বিজিবি ক্যাম্পে দ্রুত জানানোর জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে।

ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সর্বদা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ও বদ্ধপরিকর। তিনি আরও জানান, সীমান্তে যে কোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান ও রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান, টহল ও নজরদারি কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ডিএস./

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

পরশুরামে বিজিবি পুশইন ও চোরা চালান ঠেকাতে সর্বোচ্চ নজরদারি

প্রকাশিত : ০৩:৫১:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

ফেনীর উত্তরে পরশুরাম সীমান্তে পুশইন ও চোরাচালান ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে বিজিবি।ভারত বাংলাদেশের সীমান্ত নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) সর্বদা পেশাদারিত্ব, সতর্কতা ও দৃঢ়তার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অনুপ্রবেশ (পুশইন) এর আশঙ্কা বৃদ্ধি পাওয়ায় ফেনী ব্যাটালিয়ন দায়িত্বপূর্ণ প্রায় ১০২ কিলোমিটার সীমান্তজুড়ে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থা জারি করেছে।সরে জমিনে ঘুরে জানা যায়, সীমান্ত এলাকায় অবৈধভাবে চোরাচালান এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বিজিবি।

১০ মে রবিবার সকাল ১১ ঘটিকার সময় বিজিবির এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানান, সীমান্তে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টসমূহে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং সকল বিওপি ও টহল দলকে বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম, পুশইন, চোরাচালান ও যেকোনো ধরনের সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবি সদস্যদের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে।

একইসাথে সীমান্ত এলাকায় অতিরিক্ত মোবাইল পেট্রোল, ফুট পেট্রোল, বিশেষ অভিযান এবং গুরুত্বপূর্ণ ও সন্দেহভাজন পয়েন্টসমূহে নিবিড় পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

বিশেষ করে মাদকদ্রব্য, গবাদিপশু, ভারতীয় বিভিন্ন পণ্যসহ অন্যান্য চোরাচালান সামগ্রী পাচার প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং সীমান্ত দিয়ে যেন কোনো ব্যক্তি অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে সে লক্ষ্যে বিজিবি সদস্যরা নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করছে।

ফেনীস্থ ৪ বিজিবি অধিনায়ক লে: কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান, জানান, ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে, সীমান্ত এলাকার জনগণের সহযোগিতা ও সচেতনতা সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এ কারণে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সীমান্তবর্তী জনসাধারণের সাথে সমন্বয় বৃদ্ধি করা হয়েছে যাতে কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি, চলাচল বা কার্যক্রম সম্পর্কে দ্রুত তথ্য পাওয়া যায়।পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় বসবাসরত সকলকে যেকোনো অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান বা সীমান্ত অপরাধ সংক্রান্ত তথ্য নিকটস্থ বিজিবি ক্যাম্পে দ্রুত জানানোর জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে।

ফেনী ব্যাটালিয়ন (৪ বিজিবি) সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা এবং দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সর্বদা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ও বদ্ধপরিকর। তিনি আরও জানান, সীমান্তে যে কোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ, চোরাচালান ও রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রম প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান, টহল ও নজরদারি কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ডিএস./