মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও গজারিয়া থানা পরিদর্শন করেছে সামাজিক সংগঠন ‘গজারিয়া সচেতন সমাজ’-এর একটি প্রতিনিধি দল।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে প্রতিনিধি দলটি প্রথমে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করে হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং রোগীদের সঙ্গে কথা বলে সেবার মান, চিকিৎসক উপস্থিতি, ওষুধ সরবরাহ ও অবকাঠামোগত বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
পরবর্তীতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএস কার্যালয়ে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিদ্যমান সমস্যা ও উত্তরণ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় স্বাস্থ্যসেবার গুণগত মান বৃদ্ধি, প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ, আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম সংযোজন এবং রোগীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শারমিন আক্তার তিথী, গজারিয়া সচেতন সমাজের সভাপতি রুহুল আমিন খাঁন, সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার দিদার আলম,সহ সভাপতি শেখ নজরুল ইসলাম, সিনেট বোর্ড সদস্য প্রকৌশলী মামুন শরীফ, এবাদুল হক, ইউসুফ আলী দেওয়ান, তোফাজ্জল হোসেন সরকার, সহ-সভাপতি আ. জব্বার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান রাসেল, সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জি. নূরে আলম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সারোয়ার খান, কোষাধ্যক্ষ (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদায়) ইঞ্জি. সৈয়দ মো. শাকিল, কার্যনির্বাহী সদস্য আমজাদ হোসেন, সদস্য আল আমিনসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
পরে প্রতিনিধি দলটি গজারিয়া থানা পরিদর্শন করে উপজেলার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক, সন্ত্রাস, কিশোর গ্যাং, ইভটিজিং এবং সামাজিক অবক্ষয় প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে থানার কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন গজারিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইমরান আহাম্মেদ (পিপিএম), গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাসান আলী, ওসি (তদন্ত) সাব্বির হোসেনসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
সভায় বক্তারা বলেন, স্বাস্থ্যসেবা ও আইন-শৃঙ্খলা একটি এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। সরকারি প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং সচেতন নাগরিকদের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে একটি নিরাপদ, সুস্থ ও বাসযোগ্য গজারিয়া গড়ে তোলা সম্ভব।
গজারিয়া সচেতন সমাজের নেতৃবৃন্দ জানান, উপজেলার বিভিন্ন জনসেবামূলক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ এবং জনগণের প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরার কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে জনসেবার মান বৃদ্ধি ও নাগরিক সচেতনতা আরও শক্তিশালী হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ডিএস./




















