০৩:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

বিমানবন্দরের রানওয়ে সুরক্ষায় ১২ নম্বর খাল পুনঃখনন করছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ

চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ে এবং সংলগ্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।

শুক্রবার (১০ জুলাই) নিজস্ব অর্থায়ন ও ব্যবস্থাপনায় বিমানবন্দরের পাশের ১২ নম্বর খাল পুনঃখনন কার্যক্রম শুরু করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রমে সহায়তার অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, টানা ভারী বর্ষণ ও জোয়ারের প্রভাবে খালটির বিভিন্ন অংশে পলি জমে পানি প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছিল। ফলে বিমানবন্দরের রানওয়ে ও আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছিল। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে খালটির পানি ধারণ ও নিষ্কাশন সক্ষমতা বাড়াতে পুনঃখনন কাজ শুরু করা হয়েছে।

বন্দর কর্তৃপক্ষের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সরেজমিনে উপস্থিত থেকে খনন কার্যক্রমের সার্বিক তদারকি করছেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও জনবল নিয়োজিত রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে শুধু ১২ নম্বর খালই নয়, চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে রাজাখালী খাল, চাক্তাই খাল, ফিসারি খাল, মহেশখালসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন খালের মোহনাতেও জরুরি ভিত্তিতে ড্রেজিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এ কাজে গ্রাব ড্রেজার ও কাটার সাকশন ড্রেজার ব্যবহার করা হচ্ছে, যাতে খালগুলোর নাব্যতা ও পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখা যায়।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব খালের মুখে নিয়মিত ড্রেজিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকায় নগরের বিভিন্ন এলাকা থেকে বৃষ্টির পানি দ্রুত কর্ণফুলী নদীতে প্রবাহিত হতে পারছে। এতে জলাবদ্ধতা কমে আসার পাশাপাশি বিমানবন্দর, বন্দর এলাকা এবং নগরবাসীর দুর্ভোগও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের এই উদ্যোগকে নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে একটি সময়োপযোগী ও কার্যকর পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। বর্ষা মৌসুমে বন্দর, বিমানবন্দর এবং নগরীর গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো সচল রাখতে খাল পুনঃখনন ও নিয়মিত ড্রেজিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ডিএস.

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বিমানবন্দরের রানওয়ে সুরক্ষায় ১২ নম্বর খাল পুনঃখনন করছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ

বিমানবন্দরের রানওয়ে সুরক্ষায় ১২ নম্বর খাল পুনঃখনন করছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ

প্রকাশিত : ০৩:৩৪:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়ে এবং সংলগ্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।

শুক্রবার (১০ জুলাই) নিজস্ব অর্থায়ন ও ব্যবস্থাপনায় বিমানবন্দরের পাশের ১২ নম্বর খাল পুনঃখনন কার্যক্রম শুরু করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) জলাবদ্ধতা নিরসন কার্যক্রমে সহায়তার অংশ হিসেবে এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, টানা ভারী বর্ষণ ও জোয়ারের প্রভাবে খালটির বিভিন্ন অংশে পলি জমে পানি প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছিল। ফলে বিমানবন্দরের রানওয়ে ও আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছিল। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে খালটির পানি ধারণ ও নিষ্কাশন সক্ষমতা বাড়াতে পুনঃখনন কাজ শুরু করা হয়েছে।

বন্দর কর্তৃপক্ষের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সরেজমিনে উপস্থিত থেকে খনন কার্যক্রমের সার্বিক তদারকি করছেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও জনবল নিয়োজিত রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে শুধু ১২ নম্বর খালই নয়, চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে রাজাখালী খাল, চাক্তাই খাল, ফিসারি খাল, মহেশখালসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন খালের মোহনাতেও জরুরি ভিত্তিতে ড্রেজিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এ কাজে গ্রাব ড্রেজার ও কাটার সাকশন ড্রেজার ব্যবহার করা হচ্ছে, যাতে খালগুলোর নাব্যতা ও পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখা যায়।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব খালের মুখে নিয়মিত ড্রেজিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকায় নগরের বিভিন্ন এলাকা থেকে বৃষ্টির পানি দ্রুত কর্ণফুলী নদীতে প্রবাহিত হতে পারছে। এতে জলাবদ্ধতা কমে আসার পাশাপাশি বিমানবন্দর, বন্দর এলাকা এবং নগরবাসীর দুর্ভোগও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের এই উদ্যোগকে নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে একটি সময়োপযোগী ও কার্যকর পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। বর্ষা মৌসুমে বন্দর, বিমানবন্দর এবং নগরীর গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো সচল রাখতে খাল পুনঃখনন ও নিয়মিত ড্রেজিং কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ডিএস.