গাজীপুরের কালীগঞ্জে পৃথক দুটি অভিযানে ২০৪ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এসব ঘটনায় দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন-কালীগঞ্জ উপজেলার নাগরী ইউনিয়নের পানজোড়া কাজীবাড়ি এলাকার মৃত ফুল বক্স কাজীর ছেলে সোহেল কাজী (৩৮) এবং গাজীপুর সদর উপজেলার পশ্চিম জয়দেবপুর এলাকার মৃত বাসির মিয়ার ছেলে জুয়েল মিয়া (২৫)।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বুধবার ভোরে নাগরী বাজার এলাকায় রাত্রীকালীন দায়িত্ব পালন করছিলেন উলুখোলা পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা। এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন, নাগরী ইউনিয়নের পানজোড়া কাজীবাড়ি এলাকায় নিজ বসতঘরে মাদকদ্রব্যসহ অবস্থান করছেন সোহেল কাজী।
খবর পেয়ে তার বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সোহেল ঘরের অন্য একটি দরজা দিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। এ সময় তাকে আটক করা হয়।
পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বসতঘরের বিছানায় থাকা একটি বালিশের কভার তল্লাশি করা হয়। সেখান থেকে ১০১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তার সোহেল কাজীর বিরুদ্ধে এর আগেও মাদক ও অস্ত্র আইনে কালীগঞ্জ ও টঙ্গী পূর্ব থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
অন্যদিকে, মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) গাজীপুর-আজমতপুর-ইটাখোলা আঞ্চলিক সড়কে অভিযান চালায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গাজীপুর-খ-১১-৭৪০২ নম্বরের সবুজ রঙের বাজাজ ব্র্যান্ডের একটি সিএনজি অটোরিকশা থামিয়ে তল্লাশি করা হয়।
এ সময় অটোরিকশাটির চালকের পাশের আসনে থাকা যাত্রী জুয়েল মিয়ার দেহ তল্লাশি করা হয়। তার পরনের প্যান্টের সামনের ডান পকেট থেকে একটি জিপারযুক্ত ছোট পলিপ্যাক উদ্ধার করা হয়। পরে ওই প্যাকেটের ভেতর থেকে ১০৩ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় জুয়েল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
কালীগঞ্জ থানার ওসি মো. জাকির হোসেন বলেন, ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক দুটি মামলা হয়েছে। একটি মামলার বাদী কালীগঞ্জ থানা পুলিশ এবং অপর মামলার বাদী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।
তিনি জানান, গ্রেপ্তার সোহেল কাজী ও জুয়েল মিয়াকে গাজীপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ডিএস./



















