নওগাঁয় ন্যাশনাল হাউজহোল্ড ডাটাবইেজ (এন এইচ ডি)প্রকল্পরে জনকল্যাণে পরিসংখ্যান জাতীয় খানা তথ্য ভান্ডার শুমারি উপলে র্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে র্যালীটি বের হয়ে সার্কিট হাউজে গিয়ে শেষ হয়। উক্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করনে নওগাঁ পরিসংখ্যান বিভাগের ডিসিসি মোঃ এমরান হোসেন।
র্যালীতে প্রধান অতিধি হিসাবে নেতৃত্ব প্রদান করেন নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোঃ মিজানুর রহমান। এসময় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, এনআইডি প্রকল্পের যুগ্ম পরিচালক রফিকুল ইসলাম।নওগাঁ সদর উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসার দিলিপ কুমার, রানীনগরের ইউসিসি মাহমুদুল করিম, আত্রাই এর ইউসিসি সাইফুল ইসলাম, বদলগাছীর ইউসিসি নাসির উদ্দিন ও মানবাধিকার কর্মী মৌসুমি সুলতানা শান্ত প্রমুখ।
তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে,জনসাধারণের জীবনমান উন্নয়ন, সামাজিক সুরা নিশ্ততকরণ এবং অগ্রাধিকার মূলক দারিদ্র বিমোচনের ল্েয সরকারের পরিকল্পণা মন্ত্রণালয়ের অন লাইন ভিত্তিক এই খানা শুমারি বা তথ্য ভান্ডার অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। বিশ্ব ব্যাংকের অথায়নে পরিকল্পণা মন্ত্রণালয়েরএই প্রকল্পটির কাজ ইতিমধ্যে একযোগে সিলেট, রাজশাহী, খুলনায় গত ২৭সপ্টেম্বের থেেক শুরু হয়ে আগামী ১৬ অক্টোবর পযন্ত চলবে।এই খানা শুমারী কাজ বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন থেকে শুরু করে ইউ,পি প্রশাসনের সকলেই সহযোগীতা করেছন। জেলায় খানা শুমারীকে সঠিক ভাবে পরিচালনায় নওগাঁ সদর, রাণীনগর ও আত্রাই নিয়ে (ডিসিসি-১), মহাদেবপুর,মান্দা,নিয়ামতপুর নিয়ে (ডিসিসি-২),পতœীতলা,বদলগাছি,পোরশা,সাপাহার ও ধামইরহাট নিয়ে (ডিসিসি-৩) গঠিত হয়েছে। ডিসিসি-১ এ ৩৬ জন জোনাল অফিসার,১৭৬ জন সুপারভাইজার ও ৯৬৯ জন গণণাকারী, ডিসিসি-২ এ ৪০ জন জোনাল অফিসার, ১৯৯ জন সুপারভাইজার ও ১১৯০ জন গণণাকারী, ডিসিসি-৩ এ ৪০ জন জোনাল অফিসার, ২২২ জন সুপারভাইজার ও ১২২১ জন গনণাকারী কাজ করবেন বলে জানা গেছে।
বিবি/ইএম























