১২:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

ইরাকে দুই শতাধিক গণকবরের সন্ধান

ইরাকের ইসলামিক স্টেটের (আইএস) নিয়ন্ত্রণে থাকা জায়গাগুলোতে দুইশরও বেশি গণকবর পাওয়া গেছে। গণকবরগুলোতে হাজার হাজার মৃতদেহ রয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।

সুইজারল্যান্ডের রাজধানী জেনেভায় জাতিসংঘ মানবাধিকার দফতরে প্রকাশ করা এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরাকের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে নিনেভেহ, কিরকুক, সালাহ আল-দীন, এবং আনবার প্রদেশগুলোয় এসব গণকবর পাওয়া গেছে। গণকবরগুলোত অন্তত ১২ হাজার মৃতদেহ রয়েছে।

জাতিসংঘ বলছে, এসব গণকবরের ফরেনসিক পরীক্ষা করা দরকার, কারণ যে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, তা কতটা ব্যাপক তার প্রমাণ রয়েছে এসব গণকবরে।

ইরাকের মসুল শহরের বাইরের একটি গর্তে খুঁজে পাওয়া গেছে আট জনের দেহ। আর খাফসা শহরে একটি বিরাট একটা খাদে পাওয়া গেছে শত শত মানুষের দেহাবশেষ। অনেক মৃতদেহই শনাক্ত করা যায়নি।

নিহতদের মধ্যে নারী, শিশু, বৃদ্ধ, প্রতিবন্ধী থেকে শুরু করে ইরাকের সামরিক এবং পুলিশ বাহিনীর সদস্যরাও আছেন।

এর আগে এক প্রতিবেদনে জাতিসংঘ বলেছিল, ইরাকে আনুমানিক ৩৩ হাজার মানুষকে ইসলামিক স্টেট জঙ্গী গোষ্ঠী হত্যা করেছে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সাল থেকে তিন বছর ধরে এই গোষ্ঠীটি সিরিয়া এবং ইরাকের যে বিস্তীর্ণ অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করেছিল, সেখানে তারা বহু মানুষকে প্রকাশ্যে হত্যা করেছে। এর মধ্যে তাদের মতাদর্শের বিরোধী লোক থেকে শুরু করে, সরকারের সঙ্গে সম্পর্কিত লোকজন, ইয়াজিদি এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ, সবাইকে টার্গেট করা হয়েছিল।

শত শত ইরাকি পরিবার এখনো তাদের নিখোঁজ স্বজনদের খুঁজে বেড়াচ্ছে। তাদের সহায়তা দেওয়ার কথা বলছে জাতিসংঘ। সূত্র: বিবিসি।

বিবি/জেজে

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নওগাঁয় পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ে সংবাদকর্মীদের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

ইরাকে দুই শতাধিক গণকবরের সন্ধান

প্রকাশিত : ১০:৫৪:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ নভেম্বর ২০১৮

ইরাকের ইসলামিক স্টেটের (আইএস) নিয়ন্ত্রণে থাকা জায়গাগুলোতে দুইশরও বেশি গণকবর পাওয়া গেছে। গণকবরগুলোতে হাজার হাজার মৃতদেহ রয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।

সুইজারল্যান্ডের রাজধানী জেনেভায় জাতিসংঘ মানবাধিকার দফতরে প্রকাশ করা এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরাকের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে নিনেভেহ, কিরকুক, সালাহ আল-দীন, এবং আনবার প্রদেশগুলোয় এসব গণকবর পাওয়া গেছে। গণকবরগুলোত অন্তত ১২ হাজার মৃতদেহ রয়েছে।

জাতিসংঘ বলছে, এসব গণকবরের ফরেনসিক পরীক্ষা করা দরকার, কারণ যে অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, তা কতটা ব্যাপক তার প্রমাণ রয়েছে এসব গণকবরে।

ইরাকের মসুল শহরের বাইরের একটি গর্তে খুঁজে পাওয়া গেছে আট জনের দেহ। আর খাফসা শহরে একটি বিরাট একটা খাদে পাওয়া গেছে শত শত মানুষের দেহাবশেষ। অনেক মৃতদেহই শনাক্ত করা যায়নি।

নিহতদের মধ্যে নারী, শিশু, বৃদ্ধ, প্রতিবন্ধী থেকে শুরু করে ইরাকের সামরিক এবং পুলিশ বাহিনীর সদস্যরাও আছেন।

এর আগে এক প্রতিবেদনে জাতিসংঘ বলেছিল, ইরাকে আনুমানিক ৩৩ হাজার মানুষকে ইসলামিক স্টেট জঙ্গী গোষ্ঠী হত্যা করেছে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সাল থেকে তিন বছর ধরে এই গোষ্ঠীটি সিরিয়া এবং ইরাকের যে বিস্তীর্ণ অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করেছিল, সেখানে তারা বহু মানুষকে প্রকাশ্যে হত্যা করেছে। এর মধ্যে তাদের মতাদর্শের বিরোধী লোক থেকে শুরু করে, সরকারের সঙ্গে সম্পর্কিত লোকজন, ইয়াজিদি এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ, সবাইকে টার্গেট করা হয়েছিল।

শত শত ইরাকি পরিবার এখনো তাদের নিখোঁজ স্বজনদের খুঁজে বেড়াচ্ছে। তাদের সহায়তা দেওয়ার কথা বলছে জাতিসংঘ। সূত্র: বিবিসি।

বিবি/জেজে