০৯:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

গুণাগুণের ব্যক্তিত্বের নামই হচ্ছে উন্নয়নের সালাহ্ উদ্দিন টিপু

গুণাগুণের ব্যক্তিত্বের নামই হচ্ছে উন্নিয়নের সালাহ্ উদ্দিন টিপু।আবারও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই উপজেলা বাসী। নিঃস্বার্থ এবং পরিচ্ছন্ন রাজনীতির চর্চার এক উৎকৃষ্ট গুণাগুণের ব্যক্তিত্বের নামের উদহারণ হচ্ছেন এ. কে. এম সালাহ উদ্দিন টিপু। লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নিজের যোগ্যতা ও ভালবাসা দিয়ে সৃ্ষ্টি করেছেন উপজেলা বাসীর সর্বত্র মান সম্মত শিক্ষার উন্নয়ন, স্যানিটেশন, গ্রামীণ রাস্তাঘাট ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সামাজিক অস্থিরতা দূরীকরণ, বাল্য বিবাহ ও যৌতুক প্রতিরোধ করা সহ জনসাধারণের মধ্যে ব্যাপক আস্থা ভালবাসা ও বিশ্বাস অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন তিনি।অসহায় মানুষের সাধ্য পরিমাণ সাহায্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন।

এই ছাড়া সমাজের কারও বিপদ আপদ ও সমস্যা পড়লে খবর পেয়ে পাশে বসে সমবেধনা জানাতেন। মানুষের সমস্যার কথা গুলো শুনেন এবং তা সমাধান করার চেষ্টা করেন, সদর উপজেলার এমন কোন জায়গা নেই যেখানে চেয়ারম্যান সালাহ উদ্দিন টিপুর উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি, এমন কি প্রতিটি ইউনিয়নও প্রতিটি বাড়ি মহাল্লায় রয়েছে ব্যাপক উন্নয়ন তার। তাই তো আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আলোচনায় সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছেন সালাহ উদ্দিন টিপু। দল মত নির্বিশেষ জনপ্রিয়তায় শীর্ষে রয়েছেন তিনি। তার সকল জনসাধসরণ ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্ন ভাবে প্রচার প্রচারনার ঝড় তুলেছে। সদর উপজেলা বাসীর দাবি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন যাতে একেএম সালাহ উদ্দিন টিপুকেই দেয়া হয়।

তার রাজনৈতিক অবস্থান, সালাহ উদ্দিন টিপু ১৯৯০ সালে ছাত্ররাজনীতি শুরু করে ১৯৯১ সালে প্রথম পৌর ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দলের দায়িত্ব পালন শুরু করার মধ্য দিয়ে ১৯৯২ সালে লক্ষ্মীপুর আদর্শ সামাদ উচ্চ বিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৯৫ সালে লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সদস্য এবং ১৯৯৬-৯৭ সাল মেয়াদে লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) নির্বাচিত হন। স্কুল ও কলেজ জীবনে ছাত্র-ছাত্রীদের দাবি আদায়ে সব সময় সচেষ্ট ছিলেন তিনি। কলেজ জীবনে ছাত্রদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করায় খুব অল্প সময়ের মধ্যে এ কে এম সালাহ্ উদ্দিন টিপুকে ১৯৯৮ সালে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মনোনীত করেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। ২০০৩ সাল পর্যন্ত দক্ষতার সহিত জেলা ছাত্রলীগের দায়িত্ব পালন করার পর তৎকালীন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের লিয়াকত শিকদার ও নজরুল ইসলাম বাবু পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।

২০০১ সালে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় আসলে লক্ষ্মীপুরে মুক্তিযোদ্ধা তাহের পরিবারের উপর নেমে আসে বিভীষিকাময় এক বয়াবহ পরিস্থিতি। এ সময় মুজিববাদী তাহের পরিবারের প্রত্যেকটি সদস্যকে রাজনৈতিক মামলায় কারাবরণ করতে হয়েছিল। সে সময় তাহের পরিবারের উপর নেমে আসা রাজনৈতিক এই দুর্যোগের খবর নিতেন সয়ং জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা। অনেক যন্ত্রণা, ত্যাগ-তিতিক্ষা সহ্য করা এই ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক পরিবারটি লক্ষ্মীপুরের আওয়ামী পরিবারের হাজারো অধিকার বঞ্চিত নেতা-কর্মীদের আশার শেষ আশ্রয়স্থল।

পরবর্তীতে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোট ক্ষমতায় আসলে ২০১২ সালে জেলা যুবলীগের ১ম যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পান এ কে এম সালাহ্ উদ্দিন টিপু। এরপর থেকে পুরো জেলায় ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে যুবলীগ। সালাহ্ উদ্দিন টিপুর দিক-নির্দেশনায় যুবলীগের নেতা-কর্মীরা পুরো জেলায় এক অপ্রতিদ্বন্দ্বী সংগঠনে রূপান্তরীত হয়েছে। অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় লক্ষ্মীপুরে যুবলীগ এখন দলীয়ভাবে অনেক শক্তিশালী সংগঠন। এরই মধ্যে ২০১৬ সালে যুগ্ম আহ্বায়ক থেকে আহ্বায়ক মনোনীত হন সালাহ্ উদ্দিন টিপু এবং ২০১৭ সালে তিনি জেলা যুবলীগের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন। সভাপতি হওয়ার পর যুবলীগকে আরো শক্তিশালী করে তুলে ।

এরই মধ্যে ২০১১ সালে সালাহ্ উদ্দিন টিপুর প্রকাশণায় ও সম্পাদনায় লক্ষ্মীপুর জেলা শহর থেকে প্রকাশিত হয় দৈনিক ভিশন পত্রিকা। পত্রিকাটি লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালী জেলায় পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও আস্থা অর্জন করেছে। এছাড়াও সালাহ্ উদ্দিন টিপু লক্ষ্মীপুর বণিক সমিতির সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করে ব্যবসায়ীদের মধ্যে ব্যাপক আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। এসব দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি আরো অনেক সামাজিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালন করছেন সালাহ্ উদ্দিন টিপু।

সামাজিক অবস্থানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে, সভাপতি লক্ষ্মীপুর সম্পাদক ও প্রকাশক ঐক্য পরিষদ, আজীবন সদস্য লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাব, সাধারণ সম্পাদক জেলা শিল্পকলা একাডেমী, যুগ্ম সম্পাদক জেলা ক্রীড়া সংস্থা, সভাপতি লক্ষ্মীপুর আইন কলেজ, সভাপতি কলেজিয়েট উচ্চ বিদ্যালয়, সভাপতি বিজয়নগর উচ্চ বিদ্যালয়, সভাপতি উত্তর মজুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিউ আধুনিক হাসপাতাল (প্রাঃ), সহ-সভাপতি আজিমশাহ্ (রঃ) উচ্চ বিদ্যালয়।

বিবি/ ইএম

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ার বালুয়াকান্দিতে উদ্বোধন হল ন্যাচার লাউঞ্জ

গুণাগুণের ব্যক্তিত্বের নামই হচ্ছে উন্নয়নের সালাহ্ উদ্দিন টিপু

প্রকাশিত : ০৮:৫০:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০১৯

গুণাগুণের ব্যক্তিত্বের নামই হচ্ছে উন্নিয়নের সালাহ্ উদ্দিন টিপু।আবারও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই উপজেলা বাসী। নিঃস্বার্থ এবং পরিচ্ছন্ন রাজনীতির চর্চার এক উৎকৃষ্ট গুণাগুণের ব্যক্তিত্বের নামের উদহারণ হচ্ছেন এ. কে. এম সালাহ উদ্দিন টিপু। লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নিজের যোগ্যতা ও ভালবাসা দিয়ে সৃ্ষ্টি করেছেন উপজেলা বাসীর সর্বত্র মান সম্মত শিক্ষার উন্নয়ন, স্যানিটেশন, গ্রামীণ রাস্তাঘাট ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সামাজিক অস্থিরতা দূরীকরণ, বাল্য বিবাহ ও যৌতুক প্রতিরোধ করা সহ জনসাধারণের মধ্যে ব্যাপক আস্থা ভালবাসা ও বিশ্বাস অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন তিনি।অসহায় মানুষের সাধ্য পরিমাণ সাহায্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন।

এই ছাড়া সমাজের কারও বিপদ আপদ ও সমস্যা পড়লে খবর পেয়ে পাশে বসে সমবেধনা জানাতেন। মানুষের সমস্যার কথা গুলো শুনেন এবং তা সমাধান করার চেষ্টা করেন, সদর উপজেলার এমন কোন জায়গা নেই যেখানে চেয়ারম্যান সালাহ উদ্দিন টিপুর উন্নয়নের ছোয়া লাগেনি, এমন কি প্রতিটি ইউনিয়নও প্রতিটি বাড়ি মহাল্লায় রয়েছে ব্যাপক উন্নয়ন তার। তাই তো আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আলোচনায় সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছেন সালাহ উদ্দিন টিপু। দল মত নির্বিশেষ জনপ্রিয়তায় শীর্ষে রয়েছেন তিনি। তার সকল জনসাধসরণ ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্ন ভাবে প্রচার প্রচারনার ঝড় তুলেছে। সদর উপজেলা বাসীর দাবি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন যাতে একেএম সালাহ উদ্দিন টিপুকেই দেয়া হয়।

তার রাজনৈতিক অবস্থান, সালাহ উদ্দিন টিপু ১৯৯০ সালে ছাত্ররাজনীতি শুরু করে ১৯৯১ সালে প্রথম পৌর ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দলের দায়িত্ব পালন শুরু করার মধ্য দিয়ে ১৯৯২ সালে লক্ষ্মীপুর আদর্শ সামাদ উচ্চ বিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৯৫ সালে লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সদস্য এবং ১৯৯৬-৯৭ সাল মেয়াদে লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) নির্বাচিত হন। স্কুল ও কলেজ জীবনে ছাত্র-ছাত্রীদের দাবি আদায়ে সব সময় সচেষ্ট ছিলেন তিনি। কলেজ জীবনে ছাত্রদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করায় খুব অল্প সময়ের মধ্যে এ কে এম সালাহ্ উদ্দিন টিপুকে ১৯৯৮ সালে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মনোনীত করেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। ২০০৩ সাল পর্যন্ত দক্ষতার সহিত জেলা ছাত্রলীগের দায়িত্ব পালন করার পর তৎকালীন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের লিয়াকত শিকদার ও নজরুল ইসলাম বাবু পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।

২০০১ সালে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে চারদলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় আসলে লক্ষ্মীপুরে মুক্তিযোদ্ধা তাহের পরিবারের উপর নেমে আসে বিভীষিকাময় এক বয়াবহ পরিস্থিতি। এ সময় মুজিববাদী তাহের পরিবারের প্রত্যেকটি সদস্যকে রাজনৈতিক মামলায় কারাবরণ করতে হয়েছিল। সে সময় তাহের পরিবারের উপর নেমে আসা রাজনৈতিক এই দুর্যোগের খবর নিতেন সয়ং জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা। অনেক যন্ত্রণা, ত্যাগ-তিতিক্ষা সহ্য করা এই ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক পরিবারটি লক্ষ্মীপুরের আওয়ামী পরিবারের হাজারো অধিকার বঞ্চিত নেতা-কর্মীদের আশার শেষ আশ্রয়স্থল।

পরবর্তীতে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোট ক্ষমতায় আসলে ২০১২ সালে জেলা যুবলীগের ১ম যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পান এ কে এম সালাহ্ উদ্দিন টিপু। এরপর থেকে পুরো জেলায় ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে যুবলীগ। সালাহ্ উদ্দিন টিপুর দিক-নির্দেশনায় যুবলীগের নেতা-কর্মীরা পুরো জেলায় এক অপ্রতিদ্বন্দ্বী সংগঠনে রূপান্তরীত হয়েছে। অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় লক্ষ্মীপুরে যুবলীগ এখন দলীয়ভাবে অনেক শক্তিশালী সংগঠন। এরই মধ্যে ২০১৬ সালে যুগ্ম আহ্বায়ক থেকে আহ্বায়ক মনোনীত হন সালাহ্ উদ্দিন টিপু এবং ২০১৭ সালে তিনি জেলা যুবলীগের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন। সভাপতি হওয়ার পর যুবলীগকে আরো শক্তিশালী করে তুলে ।

এরই মধ্যে ২০১১ সালে সালাহ্ উদ্দিন টিপুর প্রকাশণায় ও সম্পাদনায় লক্ষ্মীপুর জেলা শহর থেকে প্রকাশিত হয় দৈনিক ভিশন পত্রিকা। পত্রিকাটি লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালী জেলায় পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও আস্থা অর্জন করেছে। এছাড়াও সালাহ্ উদ্দিন টিপু লক্ষ্মীপুর বণিক সমিতির সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করে ব্যবসায়ীদের মধ্যে ব্যাপক আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। এসব দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি আরো অনেক সামাজিক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালন করছেন সালাহ্ উদ্দিন টিপু।

সামাজিক অবস্থানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে, সভাপতি লক্ষ্মীপুর সম্পাদক ও প্রকাশক ঐক্য পরিষদ, আজীবন সদস্য লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাব, সাধারণ সম্পাদক জেলা শিল্পকলা একাডেমী, যুগ্ম সম্পাদক জেলা ক্রীড়া সংস্থা, সভাপতি লক্ষ্মীপুর আইন কলেজ, সভাপতি কলেজিয়েট উচ্চ বিদ্যালয়, সভাপতি বিজয়নগর উচ্চ বিদ্যালয়, সভাপতি উত্তর মজুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিউ আধুনিক হাসপাতাল (প্রাঃ), সহ-সভাপতি আজিমশাহ্ (রঃ) উচ্চ বিদ্যালয়।

বিবি/ ইএম