০৭:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

মতলবের ধনাগোদা নদীতে কচুরীপানা,নৌকা পারাপারের ভোগান্তি

মতলবের ধনাগোদা নদীতে কচুরীপানা। নৌকা পারাপারের যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে। এমনই চিত্র গত একমাস যাবৎ দেখা যাচ্ছে মতলব খেয়া ঘাটে। সরেজমিনে দেখা যায়, খেয়া পাড়াপাড়ের জন্য জনপ্রতি ভাড়া ৫ টাকা, সেই সাথে বাইতে হয় বৈঠা। মতলব উত্তর ও দক্ষিণ উপজেলাকে বিভক্ত করা ধনাগোদা নদী পারাপারের জন্য প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ আসে মতলব খেয়া ঘাটে। মতলব সেতু চালু হওয়ার পরও নদী পারাপারের ক্ষেত্রে দুই উপজেলার লোকজন চলাচলের জন্য এই খেয়া ঘাট।

কিন্তু গত কয়েক মাস যাবৎ ধনাগোদা নদীতে কচুরীপানার জটের কারণে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে নৌকার মাঝি ও খেয়া পারাপারের যাত্রীরা। কচুরীপানার জটের কারণে নদী পার হতে মাঝির সাথে সাথে বৈঠা চালাতে হয় অন্যান্য যাত্রীদের। এতে খেয়া পারাপারে যাত্রী সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে অনেক খানি। স্থানীয়রা জানান, নদী পার হতে আগে ৫-৬ মিনিট সময় লাগতো। এখন আধা ঘন্টা, আবার কচুরীপানার জট বৃদ্ধি পেলে এক-দেড় ঘন্টাও লাগে নদী পার হতে।

সেই সাথে বেড়েছে নদী পারাপারের খরচ। শিক্ষক মোঃ দুলাল প্রধান জানান, আগে জনপ্রতি ২ টাকা ভাড়ায় প্রতি নৌকায় ১৫ জন পার হত এবং ঘাটের ইজারাদার নেয় ২/৩ টাকা। কিন্তু এখন জনপ্রতি ৫ টাকা এবং নৌকায় ৮ জন যাত্রী পার হয়। শিক্ষার্থী নাসরিন জানান, এখন নদী পার হতে আমাদের জনপ্রতি ৭ টাকা খরচ হয়। এছাড়া নৌকায় পুরুষ লোক না উঠলে মাঝি নৌকা ছাড়তে চান না।

বিবি/ ইএম

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

৩৭৮ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তুলেছে কাস্টমস হাউস চট্রগ্রাম

মতলবের ধনাগোদা নদীতে কচুরীপানা,নৌকা পারাপারের ভোগান্তি

প্রকাশিত : ০৩:১৭:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

মতলবের ধনাগোদা নদীতে কচুরীপানা। নৌকা পারাপারের যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে। এমনই চিত্র গত একমাস যাবৎ দেখা যাচ্ছে মতলব খেয়া ঘাটে। সরেজমিনে দেখা যায়, খেয়া পাড়াপাড়ের জন্য জনপ্রতি ভাড়া ৫ টাকা, সেই সাথে বাইতে হয় বৈঠা। মতলব উত্তর ও দক্ষিণ উপজেলাকে বিভক্ত করা ধনাগোদা নদী পারাপারের জন্য প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ আসে মতলব খেয়া ঘাটে। মতলব সেতু চালু হওয়ার পরও নদী পারাপারের ক্ষেত্রে দুই উপজেলার লোকজন চলাচলের জন্য এই খেয়া ঘাট।

কিন্তু গত কয়েক মাস যাবৎ ধনাগোদা নদীতে কচুরীপানার জটের কারণে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে নৌকার মাঝি ও খেয়া পারাপারের যাত্রীরা। কচুরীপানার জটের কারণে নদী পার হতে মাঝির সাথে সাথে বৈঠা চালাতে হয় অন্যান্য যাত্রীদের। এতে খেয়া পারাপারে যাত্রী সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে অনেক খানি। স্থানীয়রা জানান, নদী পার হতে আগে ৫-৬ মিনিট সময় লাগতো। এখন আধা ঘন্টা, আবার কচুরীপানার জট বৃদ্ধি পেলে এক-দেড় ঘন্টাও লাগে নদী পার হতে।

সেই সাথে বেড়েছে নদী পারাপারের খরচ। শিক্ষক মোঃ দুলাল প্রধান জানান, আগে জনপ্রতি ২ টাকা ভাড়ায় প্রতি নৌকায় ১৫ জন পার হত এবং ঘাটের ইজারাদার নেয় ২/৩ টাকা। কিন্তু এখন জনপ্রতি ৫ টাকা এবং নৌকায় ৮ জন যাত্রী পার হয়। শিক্ষার্থী নাসরিন জানান, এখন নদী পার হতে আমাদের জনপ্রতি ৭ টাকা খরচ হয়। এছাড়া নৌকায় পুরুষ লোক না উঠলে মাঝি নৌকা ছাড়তে চান না।

বিবি/ ইএম