১২:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬

ধোবাউড়ায় অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে তৈরী হচ্ছে খাবার

ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে তৈরী হচ্ছে বেকারি খাবার। এসব বেকারি গুলোর নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করায় প্রতারিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ, অপরদিকে হুমকির মুখে পড়ছে জনস্বাস্থ্য। সরজমিনে উপজেলা বিভিন্ন বেকারিগুলোতে ঘুরে দেখা গেছে, গোয়াতলা বাজারে মেসার্স সোহান ফুড, পোড়াকান্দুলিয়া বাজারে নামহীন দুইটি বেকারি, কলসিন্দুর বাজারে ময়না বেকারিসহ প্রায় বেশিরভাগ বেকারির নেই কোন ট্রেড লাইসেন্স ও বিএসটিআই’র কোন অনুমোদন। অস্বাস্থ্যকর-নোংরা ও সেঁতস্যাতে পারিবেশে তৈরী হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের বিস্কুট, পাউরুটি, জন্মদিনের কেক, মিষ্টি, লাড্ডু, বাটারবন, ঢেনিস, নিমকিসহ নানা বেকারি পন্য।

এছাড়াও অল্প বেতনে শিশু শ্রমিকদের দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে এসব বেকারি গুলোতে। বেকারির শ্রমিকরা পন্য তৈরীর সময় রয়েছে খালি গায়ে, শরীর থেকে ঘাম বেয়ে পরছে পন্যে। এক হাতে সিগারেট অন্য হাতে কাজ করছে শ্রমিকরা। খোলাভাবে রাখা হয়েছে তেল ভর্তি ড্রাম। পাশেই রয়েছে ক্ষতিকর বিভিন্ন প্রকার রঙ, ডালডা ও স্যাকারিন। তার উপরে মাছি ভনভন করছে। তৈরীকৃত বিভিন্ন পন্যে পরছে বেকারির ময়লা-কালি ও ধুলোবালি। এছাড়াও দেখা যায় কয়েকজন শিশু মাটিতে খাবার রেখে খালি গায়ে ময়লা হাতে বিভিন্ন খাবার প্যাকেট করছে।

এনিয়ে গোয়াতলা বাজারের মেসার্স সোহান ফুডের মালিক জাহাঙ্গীর আলমের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন শুধু আমার বেকারির এমন পরিবেশ নয়! সকল বেকারির পরিবেশ একই রকম। কলসিন্দুর বজারের ময়মনা বেকারির নুরুল ইসলাম বলেন করোনা ভাইরাসের কারণে অনেকদিন বেকারি বন্ধ ছিলো, কিছুদিন হলো বেকারি চালু করা হয়েছে। আমার বেকারির পরিবেশ খুব দ্রুত পরিবর্তন করা হবে। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাফিকুজ্জামান বলেন, এসব বেকারির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুসের চ্যালেঞ্জে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন

ধোবাউড়ায় অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে তৈরী হচ্ছে খাবার

প্রকাশিত : ০৪:২৪:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২০

ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে তৈরী হচ্ছে বেকারি খাবার। এসব বেকারি গুলোর নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করায় প্রতারিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ, অপরদিকে হুমকির মুখে পড়ছে জনস্বাস্থ্য। সরজমিনে উপজেলা বিভিন্ন বেকারিগুলোতে ঘুরে দেখা গেছে, গোয়াতলা বাজারে মেসার্স সোহান ফুড, পোড়াকান্দুলিয়া বাজারে নামহীন দুইটি বেকারি, কলসিন্দুর বাজারে ময়না বেকারিসহ প্রায় বেশিরভাগ বেকারির নেই কোন ট্রেড লাইসেন্স ও বিএসটিআই’র কোন অনুমোদন। অস্বাস্থ্যকর-নোংরা ও সেঁতস্যাতে পারিবেশে তৈরী হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের বিস্কুট, পাউরুটি, জন্মদিনের কেক, মিষ্টি, লাড্ডু, বাটারবন, ঢেনিস, নিমকিসহ নানা বেকারি পন্য।

এছাড়াও অল্প বেতনে শিশু শ্রমিকদের দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে এসব বেকারি গুলোতে। বেকারির শ্রমিকরা পন্য তৈরীর সময় রয়েছে খালি গায়ে, শরীর থেকে ঘাম বেয়ে পরছে পন্যে। এক হাতে সিগারেট অন্য হাতে কাজ করছে শ্রমিকরা। খোলাভাবে রাখা হয়েছে তেল ভর্তি ড্রাম। পাশেই রয়েছে ক্ষতিকর বিভিন্ন প্রকার রঙ, ডালডা ও স্যাকারিন। তার উপরে মাছি ভনভন করছে। তৈরীকৃত বিভিন্ন পন্যে পরছে বেকারির ময়লা-কালি ও ধুলোবালি। এছাড়াও দেখা যায় কয়েকজন শিশু মাটিতে খাবার রেখে খালি গায়ে ময়লা হাতে বিভিন্ন খাবার প্যাকেট করছে।

এনিয়ে গোয়াতলা বাজারের মেসার্স সোহান ফুডের মালিক জাহাঙ্গীর আলমের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন শুধু আমার বেকারির এমন পরিবেশ নয়! সকল বেকারির পরিবেশ একই রকম। কলসিন্দুর বজারের ময়মনা বেকারির নুরুল ইসলাম বলেন করোনা ভাইরাসের কারণে অনেকদিন বেকারি বন্ধ ছিলো, কিছুদিন হলো বেকারি চালু করা হয়েছে। আমার বেকারির পরিবেশ খুব দ্রুত পরিবর্তন করা হবে। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাফিকুজ্জামান বলেন, এসব বেকারির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ