মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের দলই চা বাগানে চা পাতা চয়নের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। ব্যক্তি মালিকানাধীন দলই বাগানে চা পাতা চয়নের উদ্বোধন করেন সিলেট টি কোম্পানী লিমিটেড এর দলই চা বাগানের ব্যবস্থাপক আলী আজগর।
৭মার্চ সকাল সাড়ে ১০ টায় আনুষ্ঠানিকতা শেষে চা বাগানের ৮ নম্বর সেকশনে পাতা চয়নের উদ্বোধন করা হয়। সিলেট টি কোম্পানী লিমিটেড এর অধীনস্থ দলই চা বাগানের ৮ নম্বর সেকশনে বাগান কর্তৃপক্ষ, চা বাগান শ্রমিক ও পঞ্চায়েত নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে শ্রমিকরা দোয়া গীতাপাঠ ও পুজোর্চনাসহ আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন। এর পর গত বছরে সবচেয়ে বেশি দায়িত্বের সাথে পাতা তুলার কাজ করেছে তাদের মধ্যে পুরুষ্কার দেওয়া হয়। পুরুষ্কৃতরা হলেন-বাসন্তী পাসী,সবিতা মাদ্রাজী ও আলিয়া বেগম।
এসময়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা পর্বে বক্তব্য রাখেন দলই চা বাগানের ব্যবস্থাপক আলী আজগর সহকারী ব্যবস্থাপক গোলাম জাকারিয়া ও আব্দুল আহাদ, বর্তমান ইউপি সদস্য শীব নারায়ন শীল, পঞ্চায়েত সভাপতি কৃষণ পাসী, সাবেক মেমবার তুলসী মাদ্রাজী, চা বাগানের পঞ্চায়েত সম্পাদক সেতু রায়, পাতী দফা সর্দার রাম কুমার পাসী ও সুধাম সর্দার, চা শ্রমিকের মহিলিা নেতৃী বাসন্তী পাসী ও খোদেজা বেগম।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাগান পঞ্চায়েত নেতৃবৃন্দ ও নারী চা শ্রমিকরা। পরে চা পাতা চয়নের মাধ্যমে মৌসুমের প্রথম পাতি উত্তোলন শুরু করেন নারী শ্রমিকরা। আলোচনা অনুষ্ঠানে বাগান ব্যবস্থাপক ও শ্রমিকরা চায়ের আশাতীত উৎপাদনের আশা প্রকাশ করেন।
দলই চা বাগানের সেকশনে সেকশনে চা গাছে নতুন কুঁড়ি সবুজের শোভা বর্ধন করেছে। সতেজতায় হাসছে চা বাগান। বাগান কর্তৃপক্ষ ও চা শ্রমিকরাও চা পাতা উত্তোলনে অধীর আগ্রহে। সাধারণত ডিসেম্বরে মৌসুমের শেষে চা গাছ ছাটাই বা কলম এর পর নিয়মানুযায়ী দু’তিন মাস চা বাগানে চা পাতা উৎপাদন বন্ধ থাকে। ফলে চা কারখানাও অলস থাকতে হয়। সেচ সুবিধা ও বৃষ্টিপাতের কারনে নতুন কুঁড়ি গজানোর পর আনুষ্ঠানিকভাবে চা পাতা চয়নের মাধ্যমে শুরু হয় চায়ের উৎপাদন। এবছরও এর কোন ব্যতিক্রম ঘটেনি।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর




















