০৬:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

চৌহালীতে শিক্ষকের জালে ধরা পড়ল ১৮ কেজির বােয়াল মাছ

সিরাজগঞ্জের চৌহালীত এক শিক্ষকের জালে ধরা পড়ছে ১৮ কজি ওজনের একটি বােয়াল মাছ। এছাড়া তার সহযাগীদর জালে আরও ১৬টি বােয়াল মাছ ধরা পড়ছে। সব গুলা মিলে প্রায় ৯০ কজি বায়াল মাছ ধরছে খাষপুখুরিয়া গ্রামর সখিন মৎস্য শিকারিরা। বহস্পতিবার ভােররাতের দিকে মাছ গুলাে খাষপুখুরিয়া এলাকার যমুনা নদীর মােহনা থেকে ধরা হয়। মাছ গুলাে বাড়িতে আনল উৎসুক জনতা দেখতে ভিড় করে। এ ব্যাপারে সখিন মৎস্য শিকারি খাষপুখুরিয়া বিএম উচ বিদ্যালয়র সহকারী শিক্ষক ইসমাইল হােসেন বলেন, আমি স্থানীয় একটি হাই স্কুলে চাকরি করি। শিক্ষকতার অবসর সময় অনেকটা শখের বশ জাল নিয় যমুনায় মাছ শিকার করি। অনেক মাছ শিকার করছি কিন্ত এতাে বড় মাছ এর আগে কখনাে পাইনি তাই এই মাছটি বিক্রি না করে আত্মীয় স্বজনদের মাঝে কিছু বিলিয় দেবাে এবং নিজেরা রানা করে খাবাে। এদিকে সখিন মৎস্য শিকারি গ্রুপ শিক্ষক ও ব্যবসায়ী সহ বিভিন্ন পেশার প্রায় ১১ জন মানুষ ছিল। তারা রাতভর যমুনা নদীর মােহনায় জাল ফেলে মাছ ধরার চষ্টা করি। বহস্পতিবার ভােররাতের দিকে এক এক বিশাল আকতির বােয়াল মাছ গুলা ধরতে থাকি। মাছ দখত উৎসুক জনতার ভিড় কর। এবিষয় মাছ শিকারি শিক্ষক আব্দুল গফুর, ব্যবসায়ী আবুল কালাম ও হাবিবুর রহমান জানান, যমুনার মাছ এমনিতই সুস্বাদু। তার ওপর যদি হয় বড় আকারর, তাহল তা কথাই নই। সব সময় যমুনার মাছের চাহিদা বেশি থাকে। বড় বড় ব্যবসায়ী-শিল্পপতিরা বাজারর ভাল মাছ চড়া দামে কিনে নিয়ে যায়। আমরা সব সময় কিনতে পারি না। তাই নিজেরাই কাজের অবসরে মাছ ধরতে বাড়ির পাশই যমুনা নদীতে জাল নিয়া যায়। বেশ কয়কজনে মিলে রাতভর কষ্ট করে মাছ ধরছি। সব মিলে প্রায় ৯০ কেজি বােয়াল মাছ ধরছি। বাজার মুল্য প্রায় লক্ষাধিক টাকা হবে। তবে বায়াল মাছ কেনা বেচা বিক্রি করা হবে না। নিজেরা আত্মীয় স্বজনদের নিয়ে ভাগাভাগি করে নেব। তবে নদীর পানি বৃদ্ধি হওয়ায় ভিতরে প্রবেশ করছে এতে আরও মাছ শিকার হবে বলে জানান।

এ বিষয় চৌহালী উপজেলা মৎস্য ক্ষত্রসহকারী শফিকুল ইসলাম বলেন, যমুনা নদীতে মৎস্য সংরক্ষন আইন বাস্তবায়নর কারন প্রচুর মাছ পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে সকল প্রজাতির মাছ প্রজননর সুযােগ পাওয়ায় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শহিদনগর এম. এ জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতিকে ফুলেল সংবর্ধনা

চৌহালীতে শিক্ষকের জালে ধরা পড়ল ১৮ কেজির বােয়াল মাছ

প্রকাশিত : ০৬:১২:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুন ২০২২

সিরাজগঞ্জের চৌহালীত এক শিক্ষকের জালে ধরা পড়ছে ১৮ কজি ওজনের একটি বােয়াল মাছ। এছাড়া তার সহযাগীদর জালে আরও ১৬টি বােয়াল মাছ ধরা পড়ছে। সব গুলা মিলে প্রায় ৯০ কজি বায়াল মাছ ধরছে খাষপুখুরিয়া গ্রামর সখিন মৎস্য শিকারিরা। বহস্পতিবার ভােররাতের দিকে মাছ গুলাে খাষপুখুরিয়া এলাকার যমুনা নদীর মােহনা থেকে ধরা হয়। মাছ গুলাে বাড়িতে আনল উৎসুক জনতা দেখতে ভিড় করে। এ ব্যাপারে সখিন মৎস্য শিকারি খাষপুখুরিয়া বিএম উচ বিদ্যালয়র সহকারী শিক্ষক ইসমাইল হােসেন বলেন, আমি স্থানীয় একটি হাই স্কুলে চাকরি করি। শিক্ষকতার অবসর সময় অনেকটা শখের বশ জাল নিয় যমুনায় মাছ শিকার করি। অনেক মাছ শিকার করছি কিন্ত এতাে বড় মাছ এর আগে কখনাে পাইনি তাই এই মাছটি বিক্রি না করে আত্মীয় স্বজনদের মাঝে কিছু বিলিয় দেবাে এবং নিজেরা রানা করে খাবাে। এদিকে সখিন মৎস্য শিকারি গ্রুপ শিক্ষক ও ব্যবসায়ী সহ বিভিন্ন পেশার প্রায় ১১ জন মানুষ ছিল। তারা রাতভর যমুনা নদীর মােহনায় জাল ফেলে মাছ ধরার চষ্টা করি। বহস্পতিবার ভােররাতের দিকে এক এক বিশাল আকতির বােয়াল মাছ গুলা ধরতে থাকি। মাছ দখত উৎসুক জনতার ভিড় কর। এবিষয় মাছ শিকারি শিক্ষক আব্দুল গফুর, ব্যবসায়ী আবুল কালাম ও হাবিবুর রহমান জানান, যমুনার মাছ এমনিতই সুস্বাদু। তার ওপর যদি হয় বড় আকারর, তাহল তা কথাই নই। সব সময় যমুনার মাছের চাহিদা বেশি থাকে। বড় বড় ব্যবসায়ী-শিল্পপতিরা বাজারর ভাল মাছ চড়া দামে কিনে নিয়ে যায়। আমরা সব সময় কিনতে পারি না। তাই নিজেরাই কাজের অবসরে মাছ ধরতে বাড়ির পাশই যমুনা নদীতে জাল নিয়া যায়। বেশ কয়কজনে মিলে রাতভর কষ্ট করে মাছ ধরছি। সব মিলে প্রায় ৯০ কেজি বােয়াল মাছ ধরছি। বাজার মুল্য প্রায় লক্ষাধিক টাকা হবে। তবে বায়াল মাছ কেনা বেচা বিক্রি করা হবে না। নিজেরা আত্মীয় স্বজনদের নিয়ে ভাগাভাগি করে নেব। তবে নদীর পানি বৃদ্ধি হওয়ায় ভিতরে প্রবেশ করছে এতে আরও মাছ শিকার হবে বলে জানান।

এ বিষয় চৌহালী উপজেলা মৎস্য ক্ষত্রসহকারী শফিকুল ইসলাম বলেন, যমুনা নদীতে মৎস্য সংরক্ষন আইন বাস্তবায়নর কারন প্রচুর মাছ পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে সকল প্রজাতির মাছ প্রজননর সুযােগ পাওয়ায় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর