০৬:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

অর্থপাচার রোধে বাংলাদেশ ব্যাংকের গবেষণা সেল

অর্থপাচার রোধে গবেষণা সেল খুলেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই সেল থেকে অর্থপাচার বন্ধে করণীয়, পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার সম্ভাব্যতা যাচাইসহ নানা ধরনের গবেষণার কাজ করা হবে। দেশ থেকে অর্থপাচার প্রতিরোধে করণীয় নির্ধারণ করবে এই সেল।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) অধীনে ৯ সদস্যের সেলটি পরিচালিত হবে। একজন অতিরিক্ত পরিচালকের নেতৃত্বে গবেষণা সেলটি পরিচালিত হবে। চলতি মাসেই গভর্ণর এই সেল গঠনে একটি নির্দেশনা দিয়েছেন।

গবেষণা সেলের কার্যপরিধি: বাংলাদেশ থেকে বিদেশে অর্থপাচার প্রতিরোধে বিদ্যমান ব্যবস্থা পর্যালোচনা করা ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার করা। অর্থপাচার বন্ধে উপায় বের করতে গবেষণা করা। পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে বিভিন্ন দেশের নেওয়া উদ্যোগ পর্যালোচনা করা। এর মধ্যে বাংলাদেশের জন্য গ্রহণীয় পদক্ষেপের প্রস্তাব তৈরি। বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা ও সফলতা পাওয়া ঘটনাগুলোর পর্যালোচনা। পাচার হওয়া অর্থের তথ্য সন্ধানে যেসব দেশের সঙ্গে চুক্তি করতে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো। অর্থপাচার প্রতিরোধ ও পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে বিদ্যমান আইনে সংশোধনের কোনো প্রয়োজনীয়তা থাকলে তার সুপারিশ করা হবে গবেষণা সেলের কাজ।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নওগাঁয় পরিবেশগত মানবাধিকার বিষয়ে সংবাদকর্মীদের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

অর্থপাচার রোধে বাংলাদেশ ব্যাংকের গবেষণা সেল

প্রকাশিত : ০৪:৩৩:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২২

অর্থপাচার রোধে গবেষণা সেল খুলেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই সেল থেকে অর্থপাচার বন্ধে করণীয়, পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার সম্ভাব্যতা যাচাইসহ নানা ধরনের গবেষণার কাজ করা হবে। দেশ থেকে অর্থপাচার প্রতিরোধে করণীয় নির্ধারণ করবে এই সেল।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) অধীনে ৯ সদস্যের সেলটি পরিচালিত হবে। একজন অতিরিক্ত পরিচালকের নেতৃত্বে গবেষণা সেলটি পরিচালিত হবে। চলতি মাসেই গভর্ণর এই সেল গঠনে একটি নির্দেশনা দিয়েছেন।

গবেষণা সেলের কার্যপরিধি: বাংলাদেশ থেকে বিদেশে অর্থপাচার প্রতিরোধে বিদ্যমান ব্যবস্থা পর্যালোচনা করা ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার করা। অর্থপাচার বন্ধে উপায় বের করতে গবেষণা করা। পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে বিভিন্ন দেশের নেওয়া উদ্যোগ পর্যালোচনা করা। এর মধ্যে বাংলাদেশের জন্য গ্রহণীয় পদক্ষেপের প্রস্তাব তৈরি। বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা ও সফলতা পাওয়া ঘটনাগুলোর পর্যালোচনা। পাচার হওয়া অর্থের তথ্য সন্ধানে যেসব দেশের সঙ্গে চুক্তি করতে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো। অর্থপাচার প্রতিরোধ ও পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে বিদ্যমান আইনে সংশোধনের কোনো প্রয়োজনীয়তা থাকলে তার সুপারিশ করা হবে গবেষণা সেলের কাজ।