০১:৫১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬

জিয়াউর রহমান আমার বাবার পা টিপতো-কাদের সিদ্দিকী

টাঙ্গাইলে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম বলেছেন, বড় ভাই লতিফ সিদ্দিকী জিয়াউর রহমানকে দেখতে পারতেন না। তবে আমার বাবা জিয়াউর রহমানকে দেখতে পারতেন। কারণ তৎকালীন সময়ে বাবার যখন পা ফোলা ছিলো, তখন জিয়াউর রহমান গিয়ে পা টিপতো। আমাদের পরিবারে কিন্তু কৃতজ্ঞতাবোধ আছে। জিয়াউর রহমান প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন সময়ে আমার বাবা কোর্টে যাচ্ছিলেন। ঠিক ওই সময়ে শহরের কুমুদিনী কলেজের সামনে বাবাকে দেখে জিয়াউর রহমান গাড়ি থেকে নেমে তার পায়ে হাত দিয়ে সালাম করছিলেন। এ সময় কারনে আমার বাবা জিয়াউর রহমানের খারাপ কথা শুনতে পারতেন না। শেষ দিন পর্যন্ত জিয়াউর রহমানকে সন্তানের মতো দেখছেন।
শুক্রবার বিকেলে তার নিজ গ্রাম টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার ছাতিহাটিতে গ্রামে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তার বাবা মায়ের কবর জিয়ারতে আগে এ কথা বলেন তিনি।
কাদের সিদ্দিকী বলেন, সারা বাংলাদেশে কি হবে জানি না, তবে আমরা টাঙ্গাইলকে সম্মানিত করবো। বড় ভাইকে বলতে চাই, আপনার মতে বিরুদ্ধে আপনাকে কিছুই করতে হবে না। পারলে আমাকে সাহায্য কইরেন, না পারলে আপনাকে আপনি সাহায্য কইরেন। মানুষকে সাহায্য কইরেন। জীবনের শুরু যেটা দিয়ে সেই শুরুকে যাবার কালে কলঙ্কিত কইরেন না। আল্লাহকে ভরসা করুন। আমাদের সামনে বিকল্প নাই, আমাদের সামনে স্বাধীনতা। স্বাধীনতার নেতা বঙ্গবন্ধু। আমরা তাকে ছাড়তে পারি না। যে যাই বলুক। বরংছো আওয়ামী লীগ ঠিক লাইনে নাই। বঙ্গবন্ধু কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ করেছিলেন। আওয়ামী লীগকে কবর দিয়ে বঙ্গবন্ধু কবরে গিয়েছেন।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে নিরাপদ করতে হলে, রাজনীতিতে বঙ্গবন্ধুকে মুছে ফেলার যে প্রচেষ্টা, সেটাকে প্রতিহত করতে হলে শেখ হাসিনাকে সহযোগিতা করতে হবে।
তার ভাই সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীকে তিনি বলেন, আপনার হাজার হাজার নেতা কর্মী ছিলো, কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের সময় কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। আপনার লাখ নেতাকর্মী বঙ্গবন্ধু হত্যায় রুখে দাঁড়াতে পারে নাই। আপনাকে যখন আওয়ামী লীগ থেকে বের করে দেয়া হয়েছিলো, আপনার পক্ষে ১০ টা নেতাও দাঁড়াতে পারে নাই। আমি আপনার বক্তব্য শুনেছি, ইসলাম সম্পর্কে আপনার বক্তব্যে একটা দাড়ি কমাও ভুল নাই। কিন্তু আপনার লোকেরা কেউ তুলে ধরতে পারে নাই। জয় সম্পর্কে আপনি বলেছিলেন,
তিনি আগামী নির্বাচন সম্পর্কে বলেন, আজকে থেকে শুরু হলো আমাদের কাজ। আমাদের যাত্রা শুরু হলো। আমি বলে যেতে চাই, লফিত সিদ্দিকী আমার পিতার সমান। আমার গায়ে হাত দিলে সেই হাত থাকবে, টিকবে। কিন্তু লতিফ সিদ্দিকীর গায়ে হাত দিলে সে হাত টিকবে না। রাজনৈতিক সমালোচনা করা যাবে। রাজনীতির বাইরে লতিফ সিদ্দিকীকে নিয়ে কোন কথা বলা যাবে না। আমরা টাঙ্গাইলে ঘুষ খোরদের হাত থেকে, গুন্ডাদের হাত থেকে ও দুর্নীতিবাজদের হাত থেকে বাচাতে চাই।
এতে বক্তব্য রাখেন সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, সাবেক প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী কায়সার, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান তালুকদার খোকা, তার ছোট ভাই আবুল মনসুর আজাদ সিদ্দিকী বক্তব্য রাখেন।
এ সময় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের অন্যান্য নেতা কর্মীসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/bh

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

শহীদ জহির রায়হান স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি

জিয়াউর রহমান আমার বাবার পা টিপতো-কাদের সিদ্দিকী

প্রকাশিত : ০৯:৩৯:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩

টাঙ্গাইলে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম বলেছেন, বড় ভাই লতিফ সিদ্দিকী জিয়াউর রহমানকে দেখতে পারতেন না। তবে আমার বাবা জিয়াউর রহমানকে দেখতে পারতেন। কারণ তৎকালীন সময়ে বাবার যখন পা ফোলা ছিলো, তখন জিয়াউর রহমান গিয়ে পা টিপতো। আমাদের পরিবারে কিন্তু কৃতজ্ঞতাবোধ আছে। জিয়াউর রহমান প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন সময়ে আমার বাবা কোর্টে যাচ্ছিলেন। ঠিক ওই সময়ে শহরের কুমুদিনী কলেজের সামনে বাবাকে দেখে জিয়াউর রহমান গাড়ি থেকে নেমে তার পায়ে হাত দিয়ে সালাম করছিলেন। এ সময় কারনে আমার বাবা জিয়াউর রহমানের খারাপ কথা শুনতে পারতেন না। শেষ দিন পর্যন্ত জিয়াউর রহমানকে সন্তানের মতো দেখছেন।
শুক্রবার বিকেলে তার নিজ গ্রাম টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার ছাতিহাটিতে গ্রামে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তার বাবা মায়ের কবর জিয়ারতে আগে এ কথা বলেন তিনি।
কাদের সিদ্দিকী বলেন, সারা বাংলাদেশে কি হবে জানি না, তবে আমরা টাঙ্গাইলকে সম্মানিত করবো। বড় ভাইকে বলতে চাই, আপনার মতে বিরুদ্ধে আপনাকে কিছুই করতে হবে না। পারলে আমাকে সাহায্য কইরেন, না পারলে আপনাকে আপনি সাহায্য কইরেন। মানুষকে সাহায্য কইরেন। জীবনের শুরু যেটা দিয়ে সেই শুরুকে যাবার কালে কলঙ্কিত কইরেন না। আল্লাহকে ভরসা করুন। আমাদের সামনে বিকল্প নাই, আমাদের সামনে স্বাধীনতা। স্বাধীনতার নেতা বঙ্গবন্ধু। আমরা তাকে ছাড়তে পারি না। যে যাই বলুক। বরংছো আওয়ামী লীগ ঠিক লাইনে নাই। বঙ্গবন্ধু কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ করেছিলেন। আওয়ামী লীগকে কবর দিয়ে বঙ্গবন্ধু কবরে গিয়েছেন।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে নিরাপদ করতে হলে, রাজনীতিতে বঙ্গবন্ধুকে মুছে ফেলার যে প্রচেষ্টা, সেটাকে প্রতিহত করতে হলে শেখ হাসিনাকে সহযোগিতা করতে হবে।
তার ভাই সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীকে তিনি বলেন, আপনার হাজার হাজার নেতা কর্মী ছিলো, কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের সময় কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। আপনার লাখ নেতাকর্মী বঙ্গবন্ধু হত্যায় রুখে দাঁড়াতে পারে নাই। আপনাকে যখন আওয়ামী লীগ থেকে বের করে দেয়া হয়েছিলো, আপনার পক্ষে ১০ টা নেতাও দাঁড়াতে পারে নাই। আমি আপনার বক্তব্য শুনেছি, ইসলাম সম্পর্কে আপনার বক্তব্যে একটা দাড়ি কমাও ভুল নাই। কিন্তু আপনার লোকেরা কেউ তুলে ধরতে পারে নাই। জয় সম্পর্কে আপনি বলেছিলেন,
তিনি আগামী নির্বাচন সম্পর্কে বলেন, আজকে থেকে শুরু হলো আমাদের কাজ। আমাদের যাত্রা শুরু হলো। আমি বলে যেতে চাই, লফিত সিদ্দিকী আমার পিতার সমান। আমার গায়ে হাত দিলে সেই হাত থাকবে, টিকবে। কিন্তু লতিফ সিদ্দিকীর গায়ে হাত দিলে সে হাত টিকবে না। রাজনৈতিক সমালোচনা করা যাবে। রাজনীতির বাইরে লতিফ সিদ্দিকীকে নিয়ে কোন কথা বলা যাবে না। আমরা টাঙ্গাইলে ঘুষ খোরদের হাত থেকে, গুন্ডাদের হাত থেকে ও দুর্নীতিবাজদের হাত থেকে বাচাতে চাই।
এতে বক্তব্য রাখেন সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, সাবেক প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী কায়সার, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান তালুকদার খোকা, তার ছোট ভাই আবুল মনসুর আজাদ সিদ্দিকী বক্তব্য রাখেন।
এ সময় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের অন্যান্য নেতা কর্মীসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/bh