ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাংলাদেশ সরকারী কর্মচারী সমন্নয় পরিষদের ব্যানারে ও আহ্বানে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৫ দফা দাবি আদায়ের লক্ষে শনিবার ( ২৯ শে নভেম্বর ) জেলা কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের শহরের অস্থায়ী কার্যালয় থেকে এই বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে গিয়ে সমাবেশ করে।
এতে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখার সভাপতি মোঃ মনির হোসেনের সভাপতিত্বে এবং জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী হাফিজুল ইসলাম নাছুর সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন, জেলা সাধারণ সম্পাদক আরশাদুল ইসলাম।
এছাড়া বক্তব্য রাখেন কালেক্টরেট নন গেজেট কর্মকর্তা-কর্মচারি সমিতির সভাপতি কামরুল ইসলাম ভূইয়া, সংগঠনের সহ সভাপতি ইকবাল হোসেন সফিক, আবু কাউছার, সরকারি কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের সভাপতি মোঃ আশরাফ আহমেদ, সমাজসেবা কর্মচারী সমিতির সভাপতি আব্দুল মান্নান, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট এর সভাপতি জহিরুল ইসলাম, সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মচারি সভাপতি আমির হামজা, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড কর্মচারি সভাপতি মোঃ মনির, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরের কর্মচারি সভাপতি এবং জেলা কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি হাজী মোঃ আব্দুল্লাহ। ২৫০ শয্যা বিশিস্ট সদর হাসপাতাল কর্মচারি সমিতির সভাপতি আব্দুল মোমেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্মচারি সভাপতি মোঃ ইসমাইল, ১৭-২০ গ্রেড সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম সহ প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ কর্মচারিদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে। তাই কর্মচারিগণ নতুন পে-স্কেলের দাবি জানান। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় বেতন কমিশনের প্রজ্ঞাপন জারি এবং ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে কার্যকরি করতে হবে। না হলে বৃহত্তর কর্মসূচীর ঘোষণা করা হবে। পাশাপাশি টাইম স্কেল সিলেক্টশণ গ্রেড শতভাগ পেনশন প্রথা পুনর্বহালসহ সচিবালয়ের মত এক এবং অভিন্ন নিয়োগবিধি প্রনয়ণে, জাতীয় সার্ভিস কমিশন গঠন। আউটসোর্সিং নিয়োগ প্রথা বাতিল পূর্ব শূন্য পদে সরাসরি নিয়োগ, ন্যায্যমূল্যের মানসম্মত রেশন প্রদান, ব্লকপোস্ট সমূহে পদোন্নতি করতে হবে। আইএলও সনদে ৮৭ ও ৯৮ ধারা মোতাবেক সকল সরকারি দপ্তরে ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার দিতে হবে।
ডিএস./




















