০২:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

বঙ্গবন্ধুর খুনি শাহরিয়ার রশিদের জামাতা রিমান্ডে

বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খানের জামাতা ফুয়াদ জামানকে রাজধানীর ধানমন্ডি থানার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় তিন দিন রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম কায়সারুল ইসলাম রিমান্ডের এ আদেশ দেন।

এর আগে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজমের এস আই পার্থ প্রতিম ব্রক্ষচারী আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, আসামি ফুয়াদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে কটূক্তি এবং তার আত্মস্বীকৃত খুনিদের প্রশংসা করে ফেসবুকে পোস্ট দেয়। এ ঘটনায় বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের আহছানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্য মোহাম্মদ নাজমুল হাসান পিয়াস গত ২৩ আগস্ট ধানমন্ডি মডেল থানায় মামলা করেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, বঙ্গবন্ধুর নৃশংস হত্যাকাণ্ড নিয়ে কটূক্তি করে এবং আদালতের রায়ে প্রমাণিত হত্যাকারীদের প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়ে গত ১৫ অগাস্ট ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন ফুয়াদ। বিষয়টি জাতির পিতার প্রতি ‘চরম অসম্মান ও মানহানিকর এবং উসকানিমূলক’ বলে অভিযোগ করা হয় মামলায়।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের স্বাধীনতার চার বছরের মধ্যে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতার স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে একদল বিপথগামী সেনা সদস্য। তারপর ইনডেমিনিটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে বিচারের পথও রুদ্ধ করে দেওয়া হয়। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফেরার পর বিচারের পথ খোলে। পরে আওয়ামী লীগ ২০০৯ সালে পুনরায় ক্ষমতায় ফেরার পর মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করে দণ্ডিত সুলতান শাহরিয়ার রশিদসহ পাঁচজনের ফাঁসি ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি কার্যকর হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

আপনাদের একটি ভোটই পারে বিএনপিকে ক্ষমতায় নিয়ে আসতে: ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল

বঙ্গবন্ধুর খুনি শাহরিয়ার রশিদের জামাতা রিমান্ডে

প্রকাশিত : ০৭:৫৩:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮

বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খানের জামাতা ফুয়াদ জামানকে রাজধানীর ধানমন্ডি থানার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় তিন দিন রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম কায়সারুল ইসলাম রিমান্ডের এ আদেশ দেন।

এর আগে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজমের এস আই পার্থ প্রতিম ব্রক্ষচারী আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, আসামি ফুয়াদ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে কটূক্তি এবং তার আত্মস্বীকৃত খুনিদের প্রশংসা করে ফেসবুকে পোস্ট দেয়। এ ঘটনায় বঙ্গবন্ধু প্রকৌশলী পরিষদের আহছানউল্লাহ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্য মোহাম্মদ নাজমুল হাসান পিয়াস গত ২৩ আগস্ট ধানমন্ডি মডেল থানায় মামলা করেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, বঙ্গবন্ধুর নৃশংস হত্যাকাণ্ড নিয়ে কটূক্তি করে এবং আদালতের রায়ে প্রমাণিত হত্যাকারীদের প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়ে গত ১৫ অগাস্ট ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন ফুয়াদ। বিষয়টি জাতির পিতার প্রতি ‘চরম অসম্মান ও মানহানিকর এবং উসকানিমূলক’ বলে অভিযোগ করা হয় মামলায়।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের স্বাধীনতার চার বছরের মধ্যে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতার স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে একদল বিপথগামী সেনা সদস্য। তারপর ইনডেমিনিটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে বিচারের পথও রুদ্ধ করে দেওয়া হয়। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ফেরার পর বিচারের পথ খোলে। পরে আওয়ামী লীগ ২০০৯ সালে পুনরায় ক্ষমতায় ফেরার পর মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করে দণ্ডিত সুলতান শাহরিয়ার রশিদসহ পাঁচজনের ফাঁসি ২০১০ সালের ২৭ জানুয়ারি কার্যকর হয়।