১২:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

ফরিদপুরে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন

আজ ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। জাতির জন্য কলঙ্কময় দিন। যতদিন পৃথিবী থাকবে এই দিনটি বাঙ্গালী জাতির জীবনে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মসমর্পণ করতে শুরু করেছিল এবং পাকিস্তানিরা যখন বুঝতে পারলো মুক্তিযুদ্ধে তাদের পরাজয় সময়ের ব্যাপার মাত্র, তখনই এদেশের পাকিস্তানি দোসর, রাজাকার, আল-বদর, আল-শামসদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এদেশের শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ সন্তানদের অর্থাৎ বুদ্ধিজীবীদের নির্মমভাবে হত্যা করে। শুধু তাই নয়
পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যখন বুঝতে পারলো মুক্তিযুদ্ধে তাদের পরাজয় সুনিশ্চিত তখনই বাঙালি জাতি যাতে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে না পারে সেই চিন্তা ধারায় বাঙালির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হত্যা করা হয়। তাই এই দিবসটি বাঙ্গালী জাতির কাছে গুরুত্ব ও তাৎপর্য অনেক বেশী। গতকাল ফরিদপুরে এই দিনটি উপলক্ষে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে পালন করা হয়,
১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে সূর্যোদয় ক্ষণে , কালো পতাকা উত্তোলন
সকাল সোয়া ৭টায় ফরিদপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করেন জেলা প্রশাসক বেগম উম্মে সালমা তানজিয়া সহ বিভিন্ন সংগঠনের কর্মকর্তা বৃন্দ।

পরে জেলা প্রশাসকের আয়োজনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রোকসানা আরার সভাপত্বিতে সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক বেগম উম্মে সালমা তানজিয়া, অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো. এরাদুল হক, ফরিদপুর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুর রশীদ, অধ্যক্ষ মোশার্রফ আলী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব)মোহাম্মদ সাইফুল হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জামাল পাশা, পৌর মেয়র শেখ মাহতাব আলী মেথু, অধ্যাপক মো. শাহজাহান প্রমুখ।

বিবি/ ইএম

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

মরক্কোর বিদায়ে অঝোরে কাঁদলেন নোরা

ফরিদপুরে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন

প্রকাশিত : ০৮:০২:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮

আজ ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। জাতির জন্য কলঙ্কময় দিন। যতদিন পৃথিবী থাকবে এই দিনটি বাঙ্গালী জাতির জীবনে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মসমর্পণ করতে শুরু করেছিল এবং পাকিস্তানিরা যখন বুঝতে পারলো মুক্তিযুদ্ধে তাদের পরাজয় সময়ের ব্যাপার মাত্র, তখনই এদেশের পাকিস্তানি দোসর, রাজাকার, আল-বদর, আল-শামসদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এদেশের শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ সন্তানদের অর্থাৎ বুদ্ধিজীবীদের নির্মমভাবে হত্যা করে। শুধু তাই নয়
পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যখন বুঝতে পারলো মুক্তিযুদ্ধে তাদের পরাজয় সুনিশ্চিত তখনই বাঙালি জাতি যাতে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে না পারে সেই চিন্তা ধারায় বাঙালির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হত্যা করা হয়। তাই এই দিবসটি বাঙ্গালী জাতির কাছে গুরুত্ব ও তাৎপর্য অনেক বেশী। গতকাল ফরিদপুরে এই দিনটি উপলক্ষে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে পালন করা হয়,
১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে সূর্যোদয় ক্ষণে , কালো পতাকা উত্তোলন
সকাল সোয়া ৭টায় ফরিদপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করেন জেলা প্রশাসক বেগম উম্মে সালমা তানজিয়া সহ বিভিন্ন সংগঠনের কর্মকর্তা বৃন্দ।

পরে জেলা প্রশাসকের আয়োজনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রোকসানা আরার সভাপত্বিতে সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক বেগম উম্মে সালমা তানজিয়া, অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো. এরাদুল হক, ফরিদপুর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুর রশীদ, অধ্যক্ষ মোশার্রফ আলী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব)মোহাম্মদ সাইফুল হাসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. জামাল পাশা, পৌর মেয়র শেখ মাহতাব আলী মেথু, অধ্যাপক মো. শাহজাহান প্রমুখ।

বিবি/ ইএম