আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহনের কাউন্ট-ডাউন শুরু হয়ে গেছে। একেকটি দিন যাচ্ছে আর ভোট গ্রহনের দিন ক্রমশই এগিয়ে আসছে। বসে নেই প্রার্থীরাও। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে তারাও ছুটছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। জনসভা, উঠান বৈঠক, পথসভাসহ নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা।
ফরিদপুর-৩ আসনের চিত্র অবশ্য একটু ভিন্ন। ভোটের মাঠে আওয়ামী লীগ প্রার্থী এলজিআরডি মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন যতটা তৎপর সে তুলনায় তার প্রতিপক্ষের তৎপরতা সীমিতই বলা চলে। উন্নয়নে ও শান্তি শৃঙ্খলা সমুন্নত রাখতে ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন যেভাবে তৎপর ছিলেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যেতে ততধিক তৎপর তিনি। স্বাভাবিকভাবেই ভোটারদের আগ্রহ তাকে ঘিরেই আবর্তিত হচ্ছে। গত দশ বছরে ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন ফরিদপুরে যে ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন পুনরায় নির্বাচিত হলে উন্নয়নের গতি আরো প্রবল হবে এটাই আশা করছেন এই আসনের ভোটাররা।
ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফরিদপুরকে বিভাগ ঘোষনার আশ্বাস দিয়ে গেছেন। জনগণের প্রত্যাশা বিভাগ, সিটি করপোরেশন ও একটি বিশ্ববিদ্যালয়। এ তিনটি দাবী পূরনের আশ্বাস দিচ্ছেন ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন। ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন এই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে গত দশ বছরের তুলনামূলক বিচারে ফরিদপুরের জনগনের এ তিনটি দাবী যে তিনি পূরন করবেন এব্যাপারে অনেকটাই নিশ্চিত এই আসনের ভোটাররা। ফলে এদিক দিয়েও বলা চলে ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন অন্যদের তুলনায় অনেক এগিয়ে আছেন। সার্বিকভাবে এখন তাকে এই আসনে অপ্রতিদ্বন্দ্বী বলা চলে।
এর পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলার প্রশ্নটাও গুরুত্ব সহকারে উঠে আসে। গত দশ বছরে ফরিদপুরে উন্নয়নের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলারও ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে। মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ ফিরে এসেছে। সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজী, ছিনতাইকারীর দৌরাত্ব ফরিদপুরে নেই বললেই চলে। উন্নয়নকে বেগবান ও উন্নয়নের সুফল ভোগ করার জন্য আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন অপরিহার্য একটি অংশ। এই আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পেরেছেন ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন। একারনে নির্বাচনে জয়ী হওয়ার বিচারে তিনি এগিয়ে আছেন। উন্নয়ন নির্ভর করে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের উপর। নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ উন্নয়নের মূল চালিকা শক্তি। বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যাপক উন্নয়ন ঘটিয়ে এ শক্তির প্রাপ্যতাও প্রায় শতভাগ নিশ্চিত করেছেন তিনি। কৃষিক্ষেত্রে ফরিদপুর এখন খাদ্যে উদ্বৃত্ত জেলা। পাশাপাশি শিক্ষা, চিকিৎসা, যোগাযোগ, অবকাঠামো উন্নয়নসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে উন্নয়নের চাক্ষুস প্রমান ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে জনপ্রিয় করে তুলেছে।
ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের আরেকটি উল্লেখযোগ্য অর্জন হচ্ছে চরের উন্নয়ন। ফরিদপুরের অবহেলিত চরবাসীকে গত দশ বছরে তিনি উন্নয়নের কেন্দ্রে নিয়ে এসেছেন। চরে এখন যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এমনকি বিদ্যুতেরও ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। অবহেলিত চরবাসী এখন আর নিজেদেরকে অবহেলার পাত্র বলে মনে করে না। তাদেরও যে মর্যাদা আছে, তাদেরও যে নাগরিক সুবিধা পাওয়ার অধিকার আছে সে বিষয়টি ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন তাদেরকে জানিয়ে দিয়েছেন। নাগরিক হিসেবে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন তাদের। এই বিপুল সংখ্যক চরবাসীও এখন ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের জয়ী হওয়ার একটি অন্যতম ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করবে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করেন।
সার্বিকভাকে তার জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে বলা চলে। এ বিপুল জনপ্রিয়তা নির্বাচনে বিজয়ের অন্যতম ফ্যাক্টর। একজন প্রার্থী ভোটারদের কাছে গিয়ে ভোট চাওয়ার পর ভোটাররা মুখে না বললেও মনে মনে একটা হিসাব করে। এই হিসাবে যে এগিয়ে রয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন তা নির্ধিদ্বায় বলা যায়। এখন সময় ভোটের পল গননা। ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের অর্জন এই পল গননার সময় আরো সুসংহত করবে বলে পর্যবেক্ষকদের ধারনা। নির্বাচনে তার বিজয় এখন সময়ের ব্যাপার বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা ।
বিবি/ ইএম
























