১০:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ড. মোমেনের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

কনফারেন্স অন ইন্টারেকশন এন্ড কনফিডেন্স বিল্ডিং মেজার ইন এশিয়া (সিআইসিএ)-এর পঞ্চম শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে তাজিকিস্তানের রাজধানী দুশানবে অবস্থানরত রাষ্ট্রপতির সফরসঙ্গী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন শুক্রবার ভারতের নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস. জয়শংকরের সঙ্গেদ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর এস. জয়শংকরের সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এটিই প্রথম সাক্ষাৎ।

এ সময় বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান গভীর হৃদ্যতাপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রেক্ষিতে দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এই সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরো সম্প্রসারিত হবে। বহুল প্রত্যাশিত তিস্তা চুক্তি সম্পাদন ও সীমান্তে হত্যাকাণ্ড বন্ধে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ভারতের সক্রিয় সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেন।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করে বলেন, প্রতিবেশী দেশসমূহের সঙ্গে ভারতের সদ্ভাব ও সম্পর্ক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার পরিণত সংবেদনশীলতা প্রদর্শন করেছে।

ড. মোমেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাদের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতা এবং পরিপক্ক ও প্রশংসনীয় নেতৃত্বের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘ-বিরাজিত অমীমাংসিত ও স্পর্শকাতর ইস্যুসমূহ সমাধান করে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে যে অভূতপূর্ব উচ্চতায় উন্নীত করেছেন, তা বিশ্বের অপরাপর দেশসমূহের জন্য এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।

তিনি ২০২০ সালে অনুষ্ঠিতব্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মবার্ষিকী এবং বাংলাদেশের ৫০ বছর পুর্তি উদযাপনে ভারতকে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অতিসত্বর বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। ড. এস. জয়শংকর দ্রুতই একটি সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফর করবেন বলে আশা ব্যক্ত করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন বাংলাদেশে প্রায় ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ভার১৯৭১ সালে ভারতে শরণার্থী হিসেবে তার অভিজ্ঞতার স্মৃতিচারণ করে ড. মোমেন মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সমর্থন ও সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

বিবি/এমএ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ড. মোমেনের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক

প্রকাশিত : ০১:৩৯:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ জুন ২০১৯

কনফারেন্স অন ইন্টারেকশন এন্ড কনফিডেন্স বিল্ডিং মেজার ইন এশিয়া (সিআইসিএ)-এর পঞ্চম শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে তাজিকিস্তানের রাজধানী দুশানবে অবস্থানরত রাষ্ট্রপতির সফরসঙ্গী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন শুক্রবার ভারতের নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস. জয়শংকরের সঙ্গেদ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর এস. জয়শংকরের সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এটিই প্রথম সাক্ষাৎ।

এ সময় বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান গভীর হৃদ্যতাপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রেক্ষিতে দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এই সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরো সম্প্রসারিত হবে। বহুল প্রত্যাশিত তিস্তা চুক্তি সম্পাদন ও সীমান্তে হত্যাকাণ্ড বন্ধে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে ভারতের সক্রিয় সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা করেন।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করে বলেন, প্রতিবেশী দেশসমূহের সঙ্গে ভারতের সদ্ভাব ও সম্পর্ক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার পরিণত সংবেদনশীলতা প্রদর্শন করেছে।

ড. মোমেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাদের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতা এবং পরিপক্ক ও প্রশংসনীয় নেতৃত্বের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘ-বিরাজিত অমীমাংসিত ও স্পর্শকাতর ইস্যুসমূহ সমাধান করে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে যে অভূতপূর্ব উচ্চতায় উন্নীত করেছেন, তা বিশ্বের অপরাপর দেশসমূহের জন্য এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।

তিনি ২০২০ সালে অনুষ্ঠিতব্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মবার্ষিকী এবং বাংলাদেশের ৫০ বছর পুর্তি উদযাপনে ভারতকে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অতিসত্বর বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। ড. এস. জয়শংকর দ্রুতই একটি সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফর করবেন বলে আশা ব্যক্ত করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন বাংলাদেশে প্রায় ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে ভার১৯৭১ সালে ভারতে শরণার্থী হিসেবে তার অভিজ্ঞতার স্মৃতিচারণ করে ড. মোমেন মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সমর্থন ও সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

 

বিবি/এমএ