১১:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

চাঁদপুরে মেঘনা নদীতে ভয়াবহ ভাঙ্গন

চাঁদপুর শহর রক্ষাবাঁধের পুরাণবাজার হরিসভা এলাকায় আবারো মেঘনার ভয়াবহ ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। গত শনিবার রাত পৌনে নয়টার দিকে হরিসভা মন্দির কমপ্লে গেইটের সম্মুখ স্থান দিয়ে হঠাৎ শহর রক্ষা বস্নকবাঁধ ধসে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে মরণ সাহার বাড়ির ১০টি বসতঘর নদীতে বিলীন হয়ে যায়।
হরিসভা রাস্তাসহ আশপাশের অনেকটা এলাকা জুড়ে বড় ধরনের ফাটল দেখা দিয়েছে। রাতের মধ্যেই বহু স্থাপনা নদীতে চলে যাবার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। এদিকে শুক্রবার রাত ১২টার সময় পুরাণবাজার শহররক্ষা বাঁধের রণাগোয়াল এলাকায় প্রথম ভাঙ্গন দেখা দেয়। গত রাতে এ ভাঙ্গন আরো তীব্র হয়। রাতে ভাঙ্গন দেখা দেয়ায় অনেককেই তাদের বসতঘরের স্থাপনা সরিয়ে নিতে দেখা গেছে।

শনিবার বিকেল পর্যন্ত ভাঙ্গন ঠেকাতে বালু ভর্তি জিও ট্রেঙ্টাইল ব্যাগ প্রস্তুুত করতে দেখা যায়। পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী সচিব প্রকৌশলী মোঃ আশরাফুজ্জামান খান বলেন, যে কোনো ভাঙ্গন ঠেকাতে আমাদের ৪ হাজার ৮শ’ জিও ট্রেঙ্টাইল ব্যাগ প্রস্তুত রয়েছে। ভাঙ্গন এলাকায় পানির গভীরতা রয়েছে ৮ থেকে ১০ মিটার। রোববার সকাল থেকে ভাঙ্গন এলাকায় প্রাথমিকভাবে ২২শ’ জিও টেঙ্টাইল ব্যাগ ফেলা হবে। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেরের উপস্থিতিতে ঠিকাদার চৌধুরী এন্ড ব্রাদার্সের মাধ্যমে ফেলা হবে।

ব্যাপক নদী ভাঙ্গনের খবর পেয়ে চাঁদপুর পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও স্থানীয় কাউন্সিলর ছিদ্দিকুর রহমান ঢালী, পুরাণবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইন্সপেক্টর শহীদ হোসেন, এসআই জাহাঙ্গীর আলমসহ হরিসভা মন্দির কমিটি, লোকনাথ মন্দির কমিটির লোকজনসহ শত শত মানুষ সেখানে ছুটে যান। ভাঙ্গনের মুখে থাকা ঘর বাড়ি ভেঙ্গে সরিয়ে ফেলা হচ্ছে। নদী ভাঙ্গন খবরটি জেলা প্রশাসককে অবহিত করা হয়েছে বলে প্যানেল মেয়র ছিদ্দিকুর রহমান ঢালী জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, এর আগেও কয়েক দফা ভাঙ্গনের শিকার হয় হরিসভা এলাকা। প্রতিবারই পানি উন্নয়ন বোর্ড ভাঙ্গন ঠেকাতে কাজ করেছে। আবারও সেখানে ভাঙ্গন শুরু হওয়ায় হরিসভা, মধ্যশ্রীরামদী ও পশ্চিম শ্রীরামদী এলাকাটি এখন মারাত্মক হুমকির সম্মুখীন।

বিজনেস বাংলাদেশ-/ ইএম

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

যদি রুখে দাঁড়াও, তুমি বাংলাদেশ’ জুলাইয়ের চেতনা নিয়ে এসপি মাসুদ আলমের বক্তব্য

চাঁদপুরে মেঘনা নদীতে ভয়াবহ ভাঙ্গন

প্রকাশিত : ০৯:৩২:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অগাস্ট ২০১৯

চাঁদপুর শহর রক্ষাবাঁধের পুরাণবাজার হরিসভা এলাকায় আবারো মেঘনার ভয়াবহ ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। গত শনিবার রাত পৌনে নয়টার দিকে হরিসভা মন্দির কমপ্লে গেইটের সম্মুখ স্থান দিয়ে হঠাৎ শহর রক্ষা বস্নকবাঁধ ধসে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে মরণ সাহার বাড়ির ১০টি বসতঘর নদীতে বিলীন হয়ে যায়।
হরিসভা রাস্তাসহ আশপাশের অনেকটা এলাকা জুড়ে বড় ধরনের ফাটল দেখা দিয়েছে। রাতের মধ্যেই বহু স্থাপনা নদীতে চলে যাবার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। এদিকে শুক্রবার রাত ১২টার সময় পুরাণবাজার শহররক্ষা বাঁধের রণাগোয়াল এলাকায় প্রথম ভাঙ্গন দেখা দেয়। গত রাতে এ ভাঙ্গন আরো তীব্র হয়। রাতে ভাঙ্গন দেখা দেয়ায় অনেককেই তাদের বসতঘরের স্থাপনা সরিয়ে নিতে দেখা গেছে।

শনিবার বিকেল পর্যন্ত ভাঙ্গন ঠেকাতে বালু ভর্তি জিও ট্রেঙ্টাইল ব্যাগ প্রস্তুুত করতে দেখা যায়। পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী সচিব প্রকৌশলী মোঃ আশরাফুজ্জামান খান বলেন, যে কোনো ভাঙ্গন ঠেকাতে আমাদের ৪ হাজার ৮শ’ জিও ট্রেঙ্টাইল ব্যাগ প্রস্তুত রয়েছে। ভাঙ্গন এলাকায় পানির গভীরতা রয়েছে ৮ থেকে ১০ মিটার। রোববার সকাল থেকে ভাঙ্গন এলাকায় প্রাথমিকভাবে ২২শ’ জিও টেঙ্টাইল ব্যাগ ফেলা হবে। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেরের উপস্থিতিতে ঠিকাদার চৌধুরী এন্ড ব্রাদার্সের মাধ্যমে ফেলা হবে।

ব্যাপক নদী ভাঙ্গনের খবর পেয়ে চাঁদপুর পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও স্থানীয় কাউন্সিলর ছিদ্দিকুর রহমান ঢালী, পুরাণবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইন্সপেক্টর শহীদ হোসেন, এসআই জাহাঙ্গীর আলমসহ হরিসভা মন্দির কমিটি, লোকনাথ মন্দির কমিটির লোকজনসহ শত শত মানুষ সেখানে ছুটে যান। ভাঙ্গনের মুখে থাকা ঘর বাড়ি ভেঙ্গে সরিয়ে ফেলা হচ্ছে। নদী ভাঙ্গন খবরটি জেলা প্রশাসককে অবহিত করা হয়েছে বলে প্যানেল মেয়র ছিদ্দিকুর রহমান ঢালী জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, এর আগেও কয়েক দফা ভাঙ্গনের শিকার হয় হরিসভা এলাকা। প্রতিবারই পানি উন্নয়ন বোর্ড ভাঙ্গন ঠেকাতে কাজ করেছে। আবারও সেখানে ভাঙ্গন শুরু হওয়ায় হরিসভা, মধ্যশ্রীরামদী ও পশ্চিম শ্রীরামদী এলাকাটি এখন মারাত্মক হুমকির সম্মুখীন।

বিজনেস বাংলাদেশ-/ ইএম