১০:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

প্রত্যাবাসনের তালিকাভুক্ত রোহিঙ্গাদের সাক্ষাৎকার শুরু

মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের জন্য তালিকায় নাম থাকা রোহিঙ্গাদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে টেকনাফের শালবাগান রোহিঙ্গা শিবিরে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার (ইউএনএইচসিআর) এবং শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের প্রতিনিধিরা ক্যাম্পে ক্যাম্পে গিয়ে রোহিঙ্গাদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন। এ সময় প্রত্যাবাসনের বিষয়ে তাদের বোঝানো হচ্ছে।

শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. আবুল কালাম বলেছেন, প্রত্যাবাসনের তালিকায় নাম থাকা রোহিঙ্গাদের সাক্ষাৎকার নেয়া হচ্ছে। এজন্য ক্যাম্প ইনচার্জের অফিসের পাশে বেশ কয়েকটি প্লাস্টিকের ঘর তৈরি করা হয়েছে। যেখানে আটটি বুথ করে পর্যায়ক্রমে ৩ হাজার ৫৪০ জনের সাক্ষাৎকার নেয়া হবে।

আগামী ২২ আগস্ট প্রত্যাবাসনের জন্য ৩ হাজার ৫৪০ জন রোহিঙ্গাকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। এজন্য কাজ করছে ইউএনএইচসিআর এবং শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের (আরআরআরসি) কার্যালয়।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইনে ৩০টি নিরাপত্তা চৌকিতে একযোগে হামলা হয়। এর পরে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন শুরু করে। প্রাণ বাঁচাতে প্রায় ৭ লাখের বেশি রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। পুরনোসহ উখিয়া-টেকনাফের ৩০টি শিবিরে এখন ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, এই সংখ্যা ১১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৫৭। তাদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি।

বিজনেস বাংলাদেশ-/ ইএম

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

যদি রুখে দাঁড়াও, তুমি বাংলাদেশ’ জুলাইয়ের চেতনা নিয়ে এসপি মাসুদ আলমের বক্তব্য

প্রত্যাবাসনের তালিকাভুক্ত রোহিঙ্গাদের সাক্ষাৎকার শুরু

প্রকাশিত : ০৪:৪০:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অগাস্ট ২০১৯

মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের জন্য তালিকায় নাম থাকা রোহিঙ্গাদের সাক্ষাৎকার গ্রহণ শুরু হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে টেকনাফের শালবাগান রোহিঙ্গা শিবিরে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার (ইউএনএইচসিআর) এবং শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের প্রতিনিধিরা ক্যাম্পে ক্যাম্পে গিয়ে রোহিঙ্গাদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন। এ সময় প্রত্যাবাসনের বিষয়ে তাদের বোঝানো হচ্ছে।

শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মো. আবুল কালাম বলেছেন, প্রত্যাবাসনের তালিকায় নাম থাকা রোহিঙ্গাদের সাক্ষাৎকার নেয়া হচ্ছে। এজন্য ক্যাম্প ইনচার্জের অফিসের পাশে বেশ কয়েকটি প্লাস্টিকের ঘর তৈরি করা হয়েছে। যেখানে আটটি বুথ করে পর্যায়ক্রমে ৩ হাজার ৫৪০ জনের সাক্ষাৎকার নেয়া হবে।

আগামী ২২ আগস্ট প্রত্যাবাসনের জন্য ৩ হাজার ৫৪০ জন রোহিঙ্গাকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। এজন্য কাজ করছে ইউএনএইচসিআর এবং শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের (আরআরআরসি) কার্যালয়।

প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইনে ৩০টি নিরাপত্তা চৌকিতে একযোগে হামলা হয়। এর পরে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন শুরু করে। প্রাণ বাঁচাতে প্রায় ৭ লাখের বেশি রোহিঙ্গা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। পুরনোসহ উখিয়া-টেকনাফের ৩০টি শিবিরে এখন ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, এই সংখ্যা ১১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৫৭। তাদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যাই বেশি।

বিজনেস বাংলাদেশ-/ ইএম