মশার কামড়ে অতিষ্ট লালমনিরহাট পৌরবাসী। বেহাল ড্রেনের ব্যবস্থা, যত্রতন্ত্র ময়লার স্তুপ ও মশক
নিধোন স্প্রে না করায় ভোগান্তি পড়েছে পৌরবাসি। বাড়ছে ডেঙ্গু আতংক।
জানাগেছে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে আগাম কোন উদ্যোগ নেয়নি পৌর কর্তৃপক্ষ। পৌরসভার
অধিকাংশ ড্রেনগুলোর ভংগুর দশা। কোথাও আবার ড্রেনের মুখ সম্পুর্ণ উন্মক্ত। রয়েছে যত্রতন্ত্র স্থানে মংলার স্তুপ। এতে মশা, মাছির উপদ্রপের সাথে দুর্গন্ধে অতিষ্ট পৌরবাসী। প্রতিদিন ময়লার ভাগার পরিস্কার না করায় ময়লায় বাড়ছে মশা মাছির উপদ্রপ। এতে বাড়তে পারে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা। আর সামান্য বৃষ্টিতে শহরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টির ভোগান্তি তো পুরনো। সরকার নির্ধারিত পৌর ট্যাক্স
দেওয়ার পরেও সুবিধা না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পৌরবাসী। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে লালমনিরহাট পৌরসভার মেয়র রিয়াজুল ইসলাম রিন্টু বলেন, শহর পরিস্কার পরিচ্ছন্ন অভিযান অব্যহত আছে। লালমনিরহাট সিভিল সার্জন ডা: নির্মলেন্দু রায় বিজনেস বাংলাদেশকে জানান, গত বছর জেলায় ডেঙ্গু
আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১শ ২০জন। এরমধ্যে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এবছর ডেঙ্গু সনাক্তের জন্য ৫শ কিট এসেছে। তা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পর্যায়ে সরবরাহ করা হয়েছে। তবে লালমনিরহাটে এখন পর্যন্ত কোন ডেঙ্গু রোগী সনাক্ত হয়নি। শহরকে বসবাসের উপযোগী করতে দ্রুত পরিস্কার পরিচ্ছন্ন অভিযান পরিচালনা ও মশা নিধনে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার দাবী নগরবাসীর।
বিজনেস বাংলাদেশ/ইমরান


















