০৫:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

টেকনাফে নির্মিত হচ্ছে ৩০০ শয্যার দুটি আইসোলেশন হাসপাতাল

কক্সবাজারের টেকনাফে পৃথকভাবে নির্মিত হচ্ছে ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট দুটি আইসোলেশন হাসপাতাল।আপাতত করোনা রোগীদের এই দুই হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে।
জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা আইওএমের অর্থায়নে ১০০ শয্যা বিশিষ্ট ও আইসিডিডিআর’বির অর্থায়নে ২০০ শয্যা বিশিষ্ট পৃথক দুটি আইসোলেশন হাসপাতাল নির্মাণ করা হচ্ছে।
আইওএম কতৃক হাসপাতালটি তৈরি হচ্ছে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের লেদার অস্থায়ী রোহিঙ্গা শিবিরে।অপরদিকে আইসিডিডিআর’বি কতৃক হাসপাতালটি তৈরি হচ্ছে উপজেলার আইসিডিডিআর’বির ডায়রিয়া হাসপাতাল কমপ্লেক্সে।
হাসপাতাল দুটির অবকাঠামোর কাজ চলছে দ্রুত গতিতে।ইতিমধ্যে আইওএম কতৃক নির্মানাধীন হাসপাতালের কাজ এই মাসের শেষের দিকে শেষ হবে।আগামী মাসের শুরু থেকে পুরুদমে চিকিৎসা সেবা চলবে।
অপরদিকে আইসিডিডিআর’বি কতৃক হাসপাতালের কাজও চলছে দ্রুত গতিতে।আগামী মাসের মাঝামাঝি সময়ে এই হাসপাতালের কাজ শেষ হতে পারে। টেকনাফ উপজেলা নির্বাহি অফিসার সাইফুল ইসলাম সাইফ বলেন, টেকনাফের বিপুল স্থানীয় ও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ভবিষ্যৎ চিন্তা করে পৃথকভাবে ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট দুটি আইসোলেশন হাসপাতাল তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয়ও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী উভয়কে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে পৃথক এই দুই হাসপাতালে। টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ টিটু চন্দ্র শীল বলেন,টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবিরে এখনও পর্যন্ত কোন রোহিঙ্গা করোনায় আক্রান্ত হয়নি।তবে উপজেলাতে এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬ জন।
করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের ভবিষৎ চিন্তা করে টেকনাফে পৃথক দুটি আইসোলেশন হাসপাতাল নির্মাণ করা হচ্ছে।লেদা রোহিঙ্গা শিবিরে আইওএম কতৃক নির্মিত ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে রোহিঙ্গা জনগোষ্টি ছাড়া শিবির সংলগ্ন পার্শ্ববর্তী স্থানীয় জনগোষ্ঠীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে।অপরদিকে আইসিডিডিআর’বি কতৃক নির্মিত ২০০ শয্যা বিশিষ্ট আইসোলেশন হাসপাতালে উপজেলার স্থানীয়দের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে।

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বিমানবন্দরের রানওয়ে সুরক্ষায় ১২ নম্বর খাল পুনঃখনন করছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ

টেকনাফে নির্মিত হচ্ছে ৩০০ শয্যার দুটি আইসোলেশন হাসপাতাল

প্রকাশিত : ০৩:৩৯:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২০
কক্সবাজারের টেকনাফে পৃথকভাবে নির্মিত হচ্ছে ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট দুটি আইসোলেশন হাসপাতাল।আপাতত করোনা রোগীদের এই দুই হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে।
জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা আইওএমের অর্থায়নে ১০০ শয্যা বিশিষ্ট ও আইসিডিডিআর’বির অর্থায়নে ২০০ শয্যা বিশিষ্ট পৃথক দুটি আইসোলেশন হাসপাতাল নির্মাণ করা হচ্ছে।
আইওএম কতৃক হাসপাতালটি তৈরি হচ্ছে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের লেদার অস্থায়ী রোহিঙ্গা শিবিরে।অপরদিকে আইসিডিডিআর’বি কতৃক হাসপাতালটি তৈরি হচ্ছে উপজেলার আইসিডিডিআর’বির ডায়রিয়া হাসপাতাল কমপ্লেক্সে।
হাসপাতাল দুটির অবকাঠামোর কাজ চলছে দ্রুত গতিতে।ইতিমধ্যে আইওএম কতৃক নির্মানাধীন হাসপাতালের কাজ এই মাসের শেষের দিকে শেষ হবে।আগামী মাসের শুরু থেকে পুরুদমে চিকিৎসা সেবা চলবে।
অপরদিকে আইসিডিডিআর’বি কতৃক হাসপাতালের কাজও চলছে দ্রুত গতিতে।আগামী মাসের মাঝামাঝি সময়ে এই হাসপাতালের কাজ শেষ হতে পারে। টেকনাফ উপজেলা নির্বাহি অফিসার সাইফুল ইসলাম সাইফ বলেন, টেকনাফের বিপুল স্থানীয় ও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ভবিষ্যৎ চিন্তা করে পৃথকভাবে ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট দুটি আইসোলেশন হাসপাতাল তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয়ও রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী উভয়কে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে পৃথক এই দুই হাসপাতালে। টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ টিটু চন্দ্র শীল বলেন,টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবিরে এখনও পর্যন্ত কোন রোহিঙ্গা করোনায় আক্রান্ত হয়নি।তবে উপজেলাতে এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬ জন।
করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের ভবিষৎ চিন্তা করে টেকনাফে পৃথক দুটি আইসোলেশন হাসপাতাল নির্মাণ করা হচ্ছে।লেদা রোহিঙ্গা শিবিরে আইওএম কতৃক নির্মিত ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে রোহিঙ্গা জনগোষ্টি ছাড়া শিবির সংলগ্ন পার্শ্ববর্তী স্থানীয় জনগোষ্ঠীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে।অপরদিকে আইসিডিডিআর’বি কতৃক নির্মিত ২০০ শয্যা বিশিষ্ট আইসোলেশন হাসপাতালে উপজেলার স্থানীয়দের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে।