০২:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

চবির পাহাড় থেকে জনপদে নেমে এলো ১৪ ফুটের অজগর

প্রচন্ড গরমে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) পাহাড় থেকে জনপদে নেমে এসেছে ১৪ ফুট লম্বা একটি অজগর। গতকাল শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ সংলগ্ন একটি জলাশয় থেকে অজগরটিকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা। সাপটির নাম বার্মিজ অজগর।

বৈজ্ঞানিক নাম Burmese Python (Python bivittatus)। বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী ইয়াছিন রিয়াদ জানান, দুই থেকে তিন দিন আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে ফজরের নামাজ পড়ে ফেরার সময় স্থানীয় বাসিন্দা নুরু মিয়া এই অজগরকে একটা হাঁস খেতে দেখেন।

 

পরবর্তীতে স্থানীয়রা অনেক খোঁজাখুঁজি করে সাপটিকে আর পায়নি। এরপর শনিবার নুরু মিয়া নিরাপত্তার কথা ভেবে কেন্দ্রীয় মসজিদের অপর পাশের একটি জলাশয় পরিস্কার করার জন্য শ্রমিক লাগিয়ে দেন।

শ্রমিকরা কাজ শুরু করলে জলাশয়ে অজগরটিকে দেখতে পান। পরবর্তীতে স্থানীয়রা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বিষয়টি জানায়। বিশ্ববিদ্যালয় নিরাপত্তা দফতরের কর্মীদের সহায়তায় অজগরটিকে ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসের পিছনের পাহাড়ে অবমুক্ত করা হয়।

এ বিষয়ে প্রাণিবিদ্যা বিভাগের প্রফেসর ড. ফরিদ আহসান বলেন, ‘কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে একটা সাপ পাওয়া গেছে শুনতে পেয়ে নিরাপত্তা দফতরের লোকজন পাঠিয়ে তা উদ্ধার করার ব্যবস্থা করি। এটি পাইথন প্রজাতির সাপ। এই প্রজাতির সাপ আমাদের ক্যাম্পাসে আছে। পরে সাপটিকে প্রেসের পিছনের পাহাড়ে ছেড়ে দেয়া হয়।’

তিনি বলেন, শীতের পর গরমে তারা খাবারের জন্য পানির কাছাকাছি থাকতে চায়। আর এ সময় তাদের সঙ্গীর প্রয়োজন হয়। তাই সঙ্গীর খোঁজেও জনপদে নেমে আসতে পারে। প্রসঙ্গত, গত বছরও মে মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্লুইসগেট এলাকা থেকে স্থানীয়রা একই প্রজাতির ও আকৃতির শরীরে ক্ষত অবস্থায় আহত একটি অজগর সাপ উদ্ধার করেন। পরে তাকে চিকিৎসা দিয়ে জীববিজ্ঞান অনুষদের পাশের পাহাড়ে অবমুক্ত করা হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

প্রথমবারের মতো প্রভাব র‍্যাঙ্কিং স্থান পেল ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়

চবির পাহাড় থেকে জনপদে নেমে এলো ১৪ ফুটের অজগর

প্রকাশিত : ০২:৪৭:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২০

প্রচন্ড গরমে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) পাহাড় থেকে জনপদে নেমে এসেছে ১৪ ফুট লম্বা একটি অজগর। গতকাল শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ সংলগ্ন একটি জলাশয় থেকে অজগরটিকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা। সাপটির নাম বার্মিজ অজগর।

বৈজ্ঞানিক নাম Burmese Python (Python bivittatus)। বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী ইয়াছিন রিয়াদ জানান, দুই থেকে তিন দিন আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে ফজরের নামাজ পড়ে ফেরার সময় স্থানীয় বাসিন্দা নুরু মিয়া এই অজগরকে একটা হাঁস খেতে দেখেন।

 

পরবর্তীতে স্থানীয়রা অনেক খোঁজাখুঁজি করে সাপটিকে আর পায়নি। এরপর শনিবার নুরু মিয়া নিরাপত্তার কথা ভেবে কেন্দ্রীয় মসজিদের অপর পাশের একটি জলাশয় পরিস্কার করার জন্য শ্রমিক লাগিয়ে দেন।

শ্রমিকরা কাজ শুরু করলে জলাশয়ে অজগরটিকে দেখতে পান। পরবর্তীতে স্থানীয়রা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে বিষয়টি জানায়। বিশ্ববিদ্যালয় নিরাপত্তা দফতরের কর্মীদের সহায়তায় অজগরটিকে ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসের পিছনের পাহাড়ে অবমুক্ত করা হয়।

এ বিষয়ে প্রাণিবিদ্যা বিভাগের প্রফেসর ড. ফরিদ আহসান বলেন, ‘কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে একটা সাপ পাওয়া গেছে শুনতে পেয়ে নিরাপত্তা দফতরের লোকজন পাঠিয়ে তা উদ্ধার করার ব্যবস্থা করি। এটি পাইথন প্রজাতির সাপ। এই প্রজাতির সাপ আমাদের ক্যাম্পাসে আছে। পরে সাপটিকে প্রেসের পিছনের পাহাড়ে ছেড়ে দেয়া হয়।’

তিনি বলেন, শীতের পর গরমে তারা খাবারের জন্য পানির কাছাকাছি থাকতে চায়। আর এ সময় তাদের সঙ্গীর প্রয়োজন হয়। তাই সঙ্গীর খোঁজেও জনপদে নেমে আসতে পারে। প্রসঙ্গত, গত বছরও মে মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্লুইসগেট এলাকা থেকে স্থানীয়রা একই প্রজাতির ও আকৃতির শরীরে ক্ষত অবস্থায় আহত একটি অজগর সাপ উদ্ধার করেন। পরে তাকে চিকিৎসা দিয়ে জীববিজ্ঞান অনুষদের পাশের পাহাড়ে অবমুক্ত করা হয়।