০৭:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

শেরপুরে পাহাড়ি ঢলে ঝিনাইগাতি উপজেলা সদরসহ ৪ ইউনিয়ন প্লাবিত

ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পাহাড়ি ঢলের পানিতে শেরপুর জেলার সীমান্তবর্তী ঝিনাইগাতি উপজেলার মাহারশি নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে উপজেলা সদরসহ ঝিনাইগাতি সদর ইউনিয়ন, মালিঝিকান্দা, হাতিবান্ধা ও গৌরিপুর ইউনিয়নের আংশিক এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় ৩০ গ্রাম পানিতে তলিয়ে গেছে। ঢলের ¯্রােতে ইতিমধ্যে উল্লেখিত ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের কাঁচা ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, তলিয়ে গেছে বিভিন্ন পুকুর ও গ্রীষ্মকালিন সবজি ক্ষেত।

গত দুই দিন ধরে ভারি বর্ষন, উজানের পাহাড়ি ঢল এবং ঝিনাইগাতি উপজেলা সদরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া মহারশি নদীর পানি হঠাৎ করেই বৃদ্ধি হয়ে উপজেলা চত্ত¡রের ১২ থেকে ১৩ টি দপ্তরের অফিসের ভিতর পানি প্রবেশ করে। এরপর আস্তে আস্তে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন এবং উপজেলা সদরের প্রধান সড়কসহ বাজারের বিভিন্ন দোকানপাঠ এবং আবাসিক এলাকার বিভিন্ন বাসা-বাড়িতে পানি প্রবেশ করে। এতে সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পরে। এছাড়া সরকারী ও বেসরকারী বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারিরাও ভোগান্তি পরে ঢলের পানিতে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবেল মাহমুদ জানায়, উজানের পাহাড়ি ঢলের কারণে ঝিনাইগাতি উপজেলার মাহারশির পানি বৃদ্ধি হয়ে সাময়িক ভাবে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে গেলেও বৃষ্টি থেমে গেলে পানি নেমে যাবে। তবে বৃষ্টি হলে পানি আরো বাড়তে পারে। তবে ক্ষয় ক্ষতির বিষয়ে আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বিমানবন্দরের রানওয়ে সুরক্ষায় ১২ নম্বর খাল পুনঃখনন করছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ

শেরপুরে পাহাড়ি ঢলে ঝিনাইগাতি উপজেলা সদরসহ ৪ ইউনিয়ন প্লাবিত

প্রকাশিত : ০৭:৩২:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুন ২০২১

ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পাহাড়ি ঢলের পানিতে শেরপুর জেলার সীমান্তবর্তী ঝিনাইগাতি উপজেলার মাহারশি নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে উপজেলা সদরসহ ঝিনাইগাতি সদর ইউনিয়ন, মালিঝিকান্দা, হাতিবান্ধা ও গৌরিপুর ইউনিয়নের আংশিক এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় ৩০ গ্রাম পানিতে তলিয়ে গেছে। ঢলের ¯্রােতে ইতিমধ্যে উল্লেখিত ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের কাঁচা ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, তলিয়ে গেছে বিভিন্ন পুকুর ও গ্রীষ্মকালিন সবজি ক্ষেত।

গত দুই দিন ধরে ভারি বর্ষন, উজানের পাহাড়ি ঢল এবং ঝিনাইগাতি উপজেলা সদরের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া মহারশি নদীর পানি হঠাৎ করেই বৃদ্ধি হয়ে উপজেলা চত্ত¡রের ১২ থেকে ১৩ টি দপ্তরের অফিসের ভিতর পানি প্রবেশ করে। এরপর আস্তে আস্তে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন এবং উপজেলা সদরের প্রধান সড়কসহ বাজারের বিভিন্ন দোকানপাঠ এবং আবাসিক এলাকার বিভিন্ন বাসা-বাড়িতে পানি প্রবেশ করে। এতে সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পরে। এছাড়া সরকারী ও বেসরকারী বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারিরাও ভোগান্তি পরে ঢলের পানিতে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবেল মাহমুদ জানায়, উজানের পাহাড়ি ঢলের কারণে ঝিনাইগাতি উপজেলার মাহারশির পানি বৃদ্ধি হয়ে সাময়িক ভাবে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে গেলেও বৃষ্টি থেমে গেলে পানি নেমে যাবে। তবে বৃষ্টি হলে পানি আরো বাড়তে পারে। তবে ক্ষয় ক্ষতির বিষয়ে আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর