১১:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

পাবনায় এলজিইডি’র চলতি অর্থ বছরে ৪০০ কোটি টাকার কাজ চলমান

পাবনা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) পল্লী অবকাঠামো উন্নয়নে বিগত ১ দশকে যে উন্নয়ন করেছে তা বিগত কয়েক দশকের কাছাকাছি। পাবনার উন্নয়নে চলতি অর্থ বছরে ৪০০ কোটি টাকার কাজ চলমান রয়েছেন। গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন করার ফলে জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়েছে। পাবনার এলজিইডি‘র মাধ্যমে জেলার বিভিন্ন রাস্তা-ঘাট, ব্রীজ/কালভার্ট, উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স নির্মাণ, প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন নির্মাণ, বাঁধ নির্মাণ, খাল খনন, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স, অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা নিবাসসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ভবন নির্মাণ কাজ করেছে এবং চলমান আছে। যেখানে গ্রামে বসবাসকারী সাধারণ জনগণ কাঁচা রাস্তা দিয়ে একস্থান হতে অন্য স্থানে যাতায়াত করতো। কারও কোন সমস্যা হলে দূত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিতে পারতো না সেই সমস্যা এখন গ্রামের লোকদের নেই। বর্তমানে পাবনা জেলায় এমন কোন এলাকা নেই যেখানে পাকা সংযোগ সড়ক তৈরি হয়নি। এতে দ্রুত ও কম সময়ের ব্যবধানে একস্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত এবং কম খরচে কৃষিপণ্য পরিবহণ করছে গ্রামীণ লোকজন। বিভিন্ন জায়গায় নতুন নতুন পাকা রাস্তা হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। জানাযায় পাবনায় ২০০৯ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত এলজিইডি জেলায় ৩৪৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন, ১টি প্রাইমারী ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, ৮টি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স, ৩৮টি অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের বাসস্থান নির্মাণ করেছে এবং নির্মানাধীন ১৪২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১টি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স, একই সংগে ২টি উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স ও ৩টি ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স বাস্তবায়ন হয়েছে। এছাড়া ২৮৫০মিটার সেতু/কালভার্টের মধ্যে ১০০ মিটারের উর্দ্ধে সেতু হচ্ছে ৯টি। এগুলো হচ্ছে- ভাঙ্গুড়া, নওগাঁ সড়কে ৭টি, চাটমোহর ছাইকোলায় গোমানী নদীর উপর ১টি এবং ফরিদপুর উপজেলায় ডেমরা ঘাটে বড়াল নদীর উপর ১টি। পাবনা এলজিইডি বিগত ১০ বছরে জেলার ১৫৮৩ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন করেছে এবং ১৫৮০ কিলোমিটার সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ করেছে, পাবনার বিভিন্ন উপজেলায় গ্রামীণ সড়ক নির্মাণাধীন রয়েছে ১৮০০কিলোমিটার। আর ২৫৭ কিলোমিটার রাস্তা রক্ষণাবেক্ষণাধীন রয়েছে। পানি সম্পদ উন্নয়নেও এলজিইডি‘র কার্যক্রমের আওতায় ৯টি সুইসগেট/রেগুলেটর, ২৭.৪০ কিলোমিটার খাল খনন এবং ২টি বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। এর মধ্যে চলতি ২০১৮-১৯ অর্থ বছরেই ৩৭৭.৫০ কিলোমিটার সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ কাজ চলমান রয়েছে এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীর আওতায় প্রায় ৪০০কোটি টাকার কাজ চলমান রয়েছে। পাবনার চলনবিল অদ্ধুষ্যিত চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া এবং ফরিদপুর উপজেলার জনগণের প্রাণের দাবী প্রায় ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ ভাঙ্গুড়া, নওগাঁ সড়কের ১ম পর্যায়ের মাটির কাজ এবং ব্রীজ/কালভার্ট নির্মাণ কাজ প্রায় সমাপ্তির পথে একই সাথে ২য় পর্যায়ের পাকা করণের কাজের ঠিকাদার নিয়োগ প্রায় চুড়ান্ত। চলতি অর্থ বছরেই পাকা করণের কাজ সমাপ্ত হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা করেন। এই উন্নয়নের বিষয়ে পাবনার এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী জনাব মোহাঃ রেজাউল করিমের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান পাবনায় গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক, এলজিইডি’র সর্বস্তরের কর্মকর্তা/কর্মচারীর সহায়তায় এবং অকান্ত পরিশ্রমে এবং অত্র জেলার মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় ও সংসদ সদস্য মহোদয়গণের অনুপ্রেরণা এবং পরামর্শক্রমে ভালো কাজ করার উৎসাহ পেয়েছি। পাবনার উন্নয়নে চলতি অর্থ বছরে ৪০০ কোটি টাকার কাজ চলমান রয়েছেন। বাংলাদেশ সরকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের জোয়ারে দেশ এখন উন্নয়নের মহাসড়কের দিকে অগ্রগামী চিকিৎসা সেবা আজ মানুষের দোর গোড়ায় পৌছেছে, আমূল পরিবর্তন এসেছে, মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগও বৃদ্ধি পেয়েছে।

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বিমানবন্দরের রানওয়ে সুরক্ষায় ১২ নম্বর খাল পুনঃখনন করছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ

পাবনায় এলজিইডি’র চলতি অর্থ বছরে ৪০০ কোটি টাকার কাজ চলমান

প্রকাশিত : ০৩:২১:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ নভেম্বর ২০১৮

পাবনা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) পল্লী অবকাঠামো উন্নয়নে বিগত ১ দশকে যে উন্নয়ন করেছে তা বিগত কয়েক দশকের কাছাকাছি। পাবনার উন্নয়নে চলতি অর্থ বছরে ৪০০ কোটি টাকার কাজ চলমান রয়েছেন। গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন করার ফলে জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়েছে। পাবনার এলজিইডি‘র মাধ্যমে জেলার বিভিন্ন রাস্তা-ঘাট, ব্রীজ/কালভার্ট, উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স নির্মাণ, প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন নির্মাণ, বাঁধ নির্মাণ, খাল খনন, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স, অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা নিবাসসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ভবন নির্মাণ কাজ করেছে এবং চলমান আছে। যেখানে গ্রামে বসবাসকারী সাধারণ জনগণ কাঁচা রাস্তা দিয়ে একস্থান হতে অন্য স্থানে যাতায়াত করতো। কারও কোন সমস্যা হলে দূত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিতে পারতো না সেই সমস্যা এখন গ্রামের লোকদের নেই। বর্তমানে পাবনা জেলায় এমন কোন এলাকা নেই যেখানে পাকা সংযোগ সড়ক তৈরি হয়নি। এতে দ্রুত ও কম সময়ের ব্যবধানে একস্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত এবং কম খরচে কৃষিপণ্য পরিবহণ করছে গ্রামীণ লোকজন। বিভিন্ন জায়গায় নতুন নতুন পাকা রাস্তা হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। জানাযায় পাবনায় ২০০৯ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত এলজিইডি জেলায় ৩৪৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন, ১টি প্রাইমারী ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, ৮টি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স, ৩৮টি অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের বাসস্থান নির্মাণ করেছে এবং নির্মানাধীন ১৪২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১টি উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স, একই সংগে ২টি উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্স ও ৩টি ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স বাস্তবায়ন হয়েছে। এছাড়া ২৮৫০মিটার সেতু/কালভার্টের মধ্যে ১০০ মিটারের উর্দ্ধে সেতু হচ্ছে ৯টি। এগুলো হচ্ছে- ভাঙ্গুড়া, নওগাঁ সড়কে ৭টি, চাটমোহর ছাইকোলায় গোমানী নদীর উপর ১টি এবং ফরিদপুর উপজেলায় ডেমরা ঘাটে বড়াল নদীর উপর ১টি। পাবনা এলজিইডি বিগত ১০ বছরে জেলার ১৫৮৩ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন করেছে এবং ১৫৮০ কিলোমিটার সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ করেছে, পাবনার বিভিন্ন উপজেলায় গ্রামীণ সড়ক নির্মাণাধীন রয়েছে ১৮০০কিলোমিটার। আর ২৫৭ কিলোমিটার রাস্তা রক্ষণাবেক্ষণাধীন রয়েছে। পানি সম্পদ উন্নয়নেও এলজিইডি‘র কার্যক্রমের আওতায় ৯টি সুইসগেট/রেগুলেটর, ২৭.৪০ কিলোমিটার খাল খনন এবং ২টি বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। এর মধ্যে চলতি ২০১৮-১৯ অর্থ বছরেই ৩৭৭.৫০ কিলোমিটার সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ কাজ চলমান রয়েছে এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীর আওতায় প্রায় ৪০০কোটি টাকার কাজ চলমান রয়েছে। পাবনার চলনবিল অদ্ধুষ্যিত চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া এবং ফরিদপুর উপজেলার জনগণের প্রাণের দাবী প্রায় ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ ভাঙ্গুড়া, নওগাঁ সড়কের ১ম পর্যায়ের মাটির কাজ এবং ব্রীজ/কালভার্ট নির্মাণ কাজ প্রায় সমাপ্তির পথে একই সাথে ২য় পর্যায়ের পাকা করণের কাজের ঠিকাদার নিয়োগ প্রায় চুড়ান্ত। চলতি অর্থ বছরেই পাকা করণের কাজ সমাপ্ত হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা করেন। এই উন্নয়নের বিষয়ে পাবনার এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী জনাব মোহাঃ রেজাউল করিমের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান পাবনায় গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক, এলজিইডি’র সর্বস্তরের কর্মকর্তা/কর্মচারীর সহায়তায় এবং অকান্ত পরিশ্রমে এবং অত্র জেলার মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় ও সংসদ সদস্য মহোদয়গণের অনুপ্রেরণা এবং পরামর্শক্রমে ভালো কাজ করার উৎসাহ পেয়েছি। পাবনার উন্নয়নে চলতি অর্থ বছরে ৪০০ কোটি টাকার কাজ চলমান রয়েছেন। বাংলাদেশ সরকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের জোয়ারে দেশ এখন উন্নয়নের মহাসড়কের দিকে অগ্রগামী চিকিৎসা সেবা আজ মানুষের দোর গোড়ায় পৌছেছে, আমূল পরিবর্তন এসেছে, মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগও বৃদ্ধি পেয়েছে।