০২:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

আশুলিয়ায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ হত্যা মামলার আসামি নিহত

সাভারের আশুলিয়ায় পুলিশের সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ বাবুল মিয়া (২৭) নামে হত্যা মামলার এক আসামি নিহত হয়েছে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে।

বাবুল বগুড়া জেলার সোনাতলা থানার টেকনিমুন্সীপাড়া গ্রামের বাবর আলী মুন্সীর ছেলে। বৃহস্পতিবার ভোর রাতে আশুলিয়ার ইয়ারপুর এলাকার মুন্নার বাস বাগানে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, কয়েকদিন আগে আশুলিয়ার ইয়ারপুর এলাকার পোশাক শ্রমিক মেহেদী হাসান টিপুকে অপহরণের পর হত্যা করে লাশ সাত টুকরা করে ফ্রিজে ভরে রাখে বাবুল মিয়া। পরে এ ঘটনায় বাবুলকে প্রধান আসামি করে পোশাক শ্রমিকের স্ত্রী শম্পা বেগম একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

বৃহস্পতিবার ভোর রাতে ওই হত্যা মামলার আসামি ইয়ারপুর এলাকার মুন্নার বাস বাস বাগানে অবস্থান করছে, এমন খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাবুল ও তার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়।

এর এক পর্যায়ে বাবুল গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে প্রেরণ করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আশুলিয়া থানার ওসি শেখ রিজাউল হক দিপু।

বিবি/জেজে

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বিমানবন্দরের রানওয়ে সুরক্ষায় ১২ নম্বর খাল পুনঃখনন করছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ

আশুলিয়ায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ হত্যা মামলার আসামি নিহত

প্রকাশিত : ১০:৫৪:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ নভেম্বর ২০১৮

সাভারের আশুলিয়ায় পুলিশের সাথে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ বাবুল মিয়া (২৭) নামে হত্যা মামলার এক আসামি নিহত হয়েছে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে।

বাবুল বগুড়া জেলার সোনাতলা থানার টেকনিমুন্সীপাড়া গ্রামের বাবর আলী মুন্সীর ছেলে। বৃহস্পতিবার ভোর রাতে আশুলিয়ার ইয়ারপুর এলাকার মুন্নার বাস বাগানে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, কয়েকদিন আগে আশুলিয়ার ইয়ারপুর এলাকার পোশাক শ্রমিক মেহেদী হাসান টিপুকে অপহরণের পর হত্যা করে লাশ সাত টুকরা করে ফ্রিজে ভরে রাখে বাবুল মিয়া। পরে এ ঘটনায় বাবুলকে প্রধান আসামি করে পোশাক শ্রমিকের স্ত্রী শম্পা বেগম একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

বৃহস্পতিবার ভোর রাতে ওই হত্যা মামলার আসামি ইয়ারপুর এলাকার মুন্নার বাস বাস বাগানে অবস্থান করছে, এমন খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাবুল ও তার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়।

এর এক পর্যায়ে বাবুল গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে প্রেরণ করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আশুলিয়া থানার ওসি শেখ রিজাউল হক দিপু।

বিবি/জেজে