০১:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

আমতলীতে সংখ্যালঘূ পরিবারের উপর হামলা ও দেশ ছাড়ার হুমকি!

বরগুনার আমতলীতে সংখ্যালঘূ পরিবারের উপর হামলা, দেশ ছাড়ার হুমকি, মন্দির ও বসতঘর দখলের বিচারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেন ৬টি ভূক্তভোগী সংখ্যালঘু পরিবার।

শনিবার সকাল ১১টায় আমতলী রিপোর্টাস ইউনিটি কার্যালয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের ৬টি পরিবারের পক্ষে ভূক্তভোগী ধর্মরাজ হাওলাদার সংবাদ সম্মেলনে লিখিতভাবে বলেন, ২৯নং ঘটখালি মৌজার এসএ- ৩৫৫ খতিয়ানের ১৯৪৬ নং দাগে আমতলী পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের শ্রী শ্রী রক্ষাকালী মাতার মন্দির ছিলো। হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় রীতি অনুসারে আমাদের পূর্বপুরুষ থেকে এ মন্দিরে পূজা অর্চনা করিয়া আসছে। গত দুই বছর পূর্বে গভীর রাতে তান্ডব চালিয়ে অত্র এলাকার চিহ্নিত ভূমিদস্যু সাবেক জাসদ নেতা আনোয়ার হোসেন আকন জাল- জালিয়াতির কাগজ সৃষ্টি করে তার ভাতিজা বিএনপি নেতা মশিউর রহমান আকন, জামান আকন ও সুমন আকনের নেতৃত্বে স্থানীয় নজরুল ইসলাম, কালাম হাওলাদার, হুমায়ূন হাওলাদারসহ আরো ২০/২৫ জন মুখোশধারী সন্ত্রাসী নিয়ে আমাদের পূজা অর্চনা করার কালী মন্দির দখল করে ও মন্দিরে থাকা দেবীর মুর্তি ভেঙ্গে পায়রা নদীতে ফেলে দেয়। সেই থেকে তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি ও মন্দির দখল করে মন্দিরের জায়গা ফসলী জমিতে পরিণত করে তারা ভোগ দখল করছে।

এরই ধারাবাকিতায় গত ১৫ সেপ্টেম্বর, এসএ ৬৪৫ ও ০৬ খতিয়ানে ভূক্তভোগী সংখ্যালঘূ পরিবারের দখলে থাকা পৈত্রিক ভিটা থেকে তাদের উচ্ছেদ ও চাষাবাদের জমি ছেড়ে দিতে ভূমিদস্য আনোয়ার হোসেন আকনের সন্ত্রাসীরা ভূক্তভোগী পরিবারকে খুন জখম করে লাশ গুম করার হুমকি দিচ্ছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে পরিবারগুলো অভিযোগ করেন।

ভূক্তভোগী সংখ্যালঘূ পরিবাররা স্বাধীনভাবে চলাফেরা করা, মন্দিরে পূজা অর্চনা করা, বিভিন্ন ধর্মীয় কার্যাদি পালনে বাঁধা সৃষ্টি না করা, সন্ত্রাসীদের বিচার ও তাদের প্রাপ্ত অধিকার ফিরে পেতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন যতীন চন্দ্র হাওলাদার, সন্ধ্যা রাণী, গোলাপী রাণীসহ ভূক্তভোগী ৬টি সংখ্যালঘূ পরিবারের পুরুষ ও মহিলারা।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

মাটিরাঙ্গায় তৃণমূল পর্যায়ে দলকে সুসংগঠিত করতে বিএনপির সাংগঠনিক সভা

আমতলীতে সংখ্যালঘূ পরিবারের উপর হামলা ও দেশ ছাড়ার হুমকি!

প্রকাশিত : ০৫:১৬:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

বরগুনার আমতলীতে সংখ্যালঘূ পরিবারের উপর হামলা, দেশ ছাড়ার হুমকি, মন্দির ও বসতঘর দখলের বিচারের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেন ৬টি ভূক্তভোগী সংখ্যালঘু পরিবার।

শনিবার সকাল ১১টায় আমতলী রিপোর্টাস ইউনিটি কার্যালয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের ৬টি পরিবারের পক্ষে ভূক্তভোগী ধর্মরাজ হাওলাদার সংবাদ সম্মেলনে লিখিতভাবে বলেন, ২৯নং ঘটখালি মৌজার এসএ- ৩৫৫ খতিয়ানের ১৯৪৬ নং দাগে আমতলী পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের শ্রী শ্রী রক্ষাকালী মাতার মন্দির ছিলো। হিন্দু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় রীতি অনুসারে আমাদের পূর্বপুরুষ থেকে এ মন্দিরে পূজা অর্চনা করিয়া আসছে। গত দুই বছর পূর্বে গভীর রাতে তান্ডব চালিয়ে অত্র এলাকার চিহ্নিত ভূমিদস্যু সাবেক জাসদ নেতা আনোয়ার হোসেন আকন জাল- জালিয়াতির কাগজ সৃষ্টি করে তার ভাতিজা বিএনপি নেতা মশিউর রহমান আকন, জামান আকন ও সুমন আকনের নেতৃত্বে স্থানীয় নজরুল ইসলাম, কালাম হাওলাদার, হুমায়ূন হাওলাদারসহ আরো ২০/২৫ জন মুখোশধারী সন্ত্রাসী নিয়ে আমাদের পূজা অর্চনা করার কালী মন্দির দখল করে ও মন্দিরে থাকা দেবীর মুর্তি ভেঙ্গে পায়রা নদীতে ফেলে দেয়। সেই থেকে তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি ও মন্দির দখল করে মন্দিরের জায়গা ফসলী জমিতে পরিণত করে তারা ভোগ দখল করছে।

এরই ধারাবাকিতায় গত ১৫ সেপ্টেম্বর, এসএ ৬৪৫ ও ০৬ খতিয়ানে ভূক্তভোগী সংখ্যালঘূ পরিবারের দখলে থাকা পৈত্রিক ভিটা থেকে তাদের উচ্ছেদ ও চাষাবাদের জমি ছেড়ে দিতে ভূমিদস্য আনোয়ার হোসেন আকনের সন্ত্রাসীরা ভূক্তভোগী পরিবারকে খুন জখম করে লাশ গুম করার হুমকি দিচ্ছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে পরিবারগুলো অভিযোগ করেন।

ভূক্তভোগী সংখ্যালঘূ পরিবাররা স্বাধীনভাবে চলাফেরা করা, মন্দিরে পূজা অর্চনা করা, বিভিন্ন ধর্মীয় কার্যাদি পালনে বাঁধা সৃষ্টি না করা, সন্ত্রাসীদের বিচার ও তাদের প্রাপ্ত অধিকার ফিরে পেতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন যতীন চন্দ্র হাওলাদার, সন্ধ্যা রাণী, গোলাপী রাণীসহ ভূক্তভোগী ৬টি সংখ্যালঘূ পরিবারের পুরুষ ও মহিলারা।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর