০৫:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬

আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল অসুস্থ

বরেণ্য গীতিকবি, সুরকার, সঙ্গীত পরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল শারীরিকভাবে অসুস্থ। তার হার্টে আটটি ব্লক ধরা পড়েছে। খুব দ্রুতই চিকিৎসায় যাবেন তিনি। অসংখ্য জনপ্রিয় গানের এই সুরকার সবার দোয়া চেয়েছেন। সম্প্রতি একটি ফেসবুক স্ট্যাটাসের মধ্য দিয়ে আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল বিষয়টি সবাইকে জানান।

তিনি তার স্ট্যাটাসে লিখেন, সরকারের নির্দেশেই ২০১২-তে আমাকে যুদ্ধাপরাধীর ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়ায় সাক্ষী হিসেবে দাঁড়াতে হয়েছিল। সাহসিকতার সঙ্গে সাক্ষ্যপ্রমাণ দিতে হয়েছিল ১৯৭১-এ ঘটে যাওয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলখানার গণহত্যার সম্পূর্ণ ইতিহাস। আর, ওই গণহত্যা থেকে বেঁচে যাওয়া ৫ জনের মধ্যে আমিও একজন। হত্যা করা হয়েছিল একসঙ্গে ৪৯ জন মুক্তিযোদ্ধাকে। কিন্তু, এই সাক্ষীর কারণে আমার নিরপরাধী ছোটভাই মিরাজ খুন হয়ে যাবে এ আমি কখনোই বিশ্বাস করতে পারিনি।

সরকারের কাছে বিচার চেয়েছি, বিচার পাইনি। আমি এখন ২৪ ঘণ্টা পুলিশ পাহারায় গৃহবন্দি থাকি, একমাত্র সন্তানকে নিয়ে। এ এক অভূতপূর্ব করুণ অধ্যায়। একটি ঘরে ৬ বছর গৃহবন্দি থাকতে থাকতে আমি আজ উল্লেখযোগ্যভাবে অসুস্থ। আমার হার্টে ৮টা ব্লক ধরা পড়েছে। বাইপাস সার্জারি ছাড়া চিকিৎসা সম্ভব না।

তিনি আরও লিখেন, এরই মাঝে কাউকে না জানিয়ে আমি ইব্রাহিম কার্ডিয়াক এ সিসিইউতে চারদিন ভর্তি ছিলাম। প্রিয় বন্ধুরা, আগামী ১০ দিনের মধ্যে আমি আমার হার্টের বাইপাস সার্জারি করাতে প্রস্তুত রয়েছি। কোনো সরকারী সাহায্য বা শিল্পী, বন্ধুবান্ধবের সাহায্য আমার দরকার নেই, আমি একাই যথেষ্ট (শুধু অপারেশনের আগে ১০ সেকেন্ডের জন্য বুকের মাঝে বাংলাদেশ এর পতাকা এবং কোরআন শরিফ রাখতে চাই)। আর, তোমরা আমার জন্য শুধু দোয়া করবে। কোনো ভয় নেই।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ছাত্রদলের নতুন কমিটির আলোচনায় বারবার গুম হওয়া ছাত্রদল নেতা আবু হান্নান তালুকদার

আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল অসুস্থ

প্রকাশিত : ০৩:০৮:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ মে ২০১৮

বরেণ্য গীতিকবি, সুরকার, সঙ্গীত পরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল শারীরিকভাবে অসুস্থ। তার হার্টে আটটি ব্লক ধরা পড়েছে। খুব দ্রুতই চিকিৎসায় যাবেন তিনি। অসংখ্য জনপ্রিয় গানের এই সুরকার সবার দোয়া চেয়েছেন। সম্প্রতি একটি ফেসবুক স্ট্যাটাসের মধ্য দিয়ে আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল বিষয়টি সবাইকে জানান।

তিনি তার স্ট্যাটাসে লিখেন, সরকারের নির্দেশেই ২০১২-তে আমাকে যুদ্ধাপরাধীর ট্রাইব্যুনালের কাঠগড়ায় সাক্ষী হিসেবে দাঁড়াতে হয়েছিল। সাহসিকতার সঙ্গে সাক্ষ্যপ্রমাণ দিতে হয়েছিল ১৯৭১-এ ঘটে যাওয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলখানার গণহত্যার সম্পূর্ণ ইতিহাস। আর, ওই গণহত্যা থেকে বেঁচে যাওয়া ৫ জনের মধ্যে আমিও একজন। হত্যা করা হয়েছিল একসঙ্গে ৪৯ জন মুক্তিযোদ্ধাকে। কিন্তু, এই সাক্ষীর কারণে আমার নিরপরাধী ছোটভাই মিরাজ খুন হয়ে যাবে এ আমি কখনোই বিশ্বাস করতে পারিনি।

সরকারের কাছে বিচার চেয়েছি, বিচার পাইনি। আমি এখন ২৪ ঘণ্টা পুলিশ পাহারায় গৃহবন্দি থাকি, একমাত্র সন্তানকে নিয়ে। এ এক অভূতপূর্ব করুণ অধ্যায়। একটি ঘরে ৬ বছর গৃহবন্দি থাকতে থাকতে আমি আজ উল্লেখযোগ্যভাবে অসুস্থ। আমার হার্টে ৮টা ব্লক ধরা পড়েছে। বাইপাস সার্জারি ছাড়া চিকিৎসা সম্ভব না।

তিনি আরও লিখেন, এরই মাঝে কাউকে না জানিয়ে আমি ইব্রাহিম কার্ডিয়াক এ সিসিইউতে চারদিন ভর্তি ছিলাম। প্রিয় বন্ধুরা, আগামী ১০ দিনের মধ্যে আমি আমার হার্টের বাইপাস সার্জারি করাতে প্রস্তুত রয়েছি। কোনো সরকারী সাহায্য বা শিল্পী, বন্ধুবান্ধবের সাহায্য আমার দরকার নেই, আমি একাই যথেষ্ট (শুধু অপারেশনের আগে ১০ সেকেন্ডের জন্য বুকের মাঝে বাংলাদেশ এর পতাকা এবং কোরআন শরিফ রাখতে চাই)। আর, তোমরা আমার জন্য শুধু দোয়া করবে। কোনো ভয় নেই।